জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের রেকর্ড অর্থায়নে প্রথমবারের মতো তৃণমূলে বড় মাপের প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তার অধীনস্থ ৩১ টি ফেডারেশনের উন্নয়নের জন্য মোট ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে চলতি অর্থবছরে। এর মাঝে ফুটবলের জন্য বরাদ্দ রয়েছে এক কোটি ১১ লাখ টাকা। প্রতিভা অন্বেষণে এত বড় অঙ্কের টাকা বাফুফে ব্যয় করেনি কখনও।
বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান বাদল রায়ের অধীনেই এ কর্মসূচির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে বাফুফে। চলতি মাস থেকেই আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৬টি জেলা ও ৩৩৯টি উপজেলায় পরিচালিত হবে এ প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি। বাফুফের ১৫ জন কোচ রয়েছেন; আর তারাই দেশব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। প্রাথমিকভাবে ১৫ জেলায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে; যার সূচনা হবে মেহেরপুর জেলা দিয়ে।
বাফুফে ইতোমধ্যে এ উদ্যোগ সফল করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। গতানুগতিক ধারায় তারা এ প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি চালাবে না। বাফুফের কোচরা প্রাথমিকভাবে খেলোয়াড়দের বাছাই করে তাদের দেবেন পাঁচ দিন ব্যাপী ফুটবলের বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ। এর মাঝেই তারা দেখবেন কোন খেলোয়াড় ভালো, তাদের মধ্য থেকেই বাছাই করা হবে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের। এখানে ১২ থেকে ১৫ বছরের ফুটবলারদের যারা দুই বছর থাকবে তারা বাফুফের উন্নত প্রশিক্ষণের বলয়েও থাকবে।
বাদল রায় আশাবাদী তাদের এ কার্যক্রম বিফলে যাবে না। তার মতে , ‘অতীতে কী হয়েছে না হয়েছে তা নিয়ে আর বসে থাকতে চাই না, ফুটবলের অতীত প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচিতে ধারাবাহিকতা থাকেনি হয়তো। তবে এটি যেহেতেু সরকারি অর্থায়নের কার্যক্রম তাই এর যথাযথ মনিটরিংও থাকবে। আর বাফুফে এ সুযোগকে সর্বোচ্চ স্তরে কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর।’
/আরএম/এফআইআর/








