চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের হয়ে ঢাকার মাঠে খেলতে এসেছিলেন ইথিওপিয়ান ফরোয়ার্ড ফিকরু টেফেরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (আইএসএল) অ্যাতলেতিকো ডি কলকাতার হয়ে শিরোপা জেতার পর চেন্নাই এফসি ছেড়ে ঢাকায় এসেছিলেন ৩০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ঢাকার ফুটবলভক্তদের প্রত্যাশা ছিল তার পায়ে দেখা যাবে পাওয়ার ফুটবলের বাহার। কিন্তু তা আর হয়নি, একটি-দুটি ম্যাচ খেলে উচ্ছৃঙ্খল এক চরিত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে দেশে ফিরে গেছেন তিনি।
শেখ রাসেলের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ, আর সেই বিষয়টি নিশ্চিত করছেন ক্লাবের নতুন কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক।
মৌসুমের শুরুতে স্বাধীনতা কাপে বিজেএমসির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক ও সেমিফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে প্রথমে গোল করে ভালোই সূচনা করেছিলেন ফিকরু। কিন্তু ধীরে ধীরে টিমমেটদের সঙ্গে তার সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে, মাঠেও চোখে পড়ে এর প্রভাব। দেখা যায় তাকে পাস না দিয়ে তিনি রেগে আক্রমণাত্মক অঙ্গভঙ্গি করছেন, গালিও দিচ্ছেন। এর মাঝে একটি ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে ফিরে তিনি তার সতীর্থ ক্যামেরুনিয়ান ফরোয়ার্ড পল এমিলির নাকে ঘুষি মেরে বসেন। সে সময় রাসেলের দায়িত্বে ছিলেন মারুফুল হক, তিনি পরবর্তীতে ফিকরুকে খুব বেশি মাঠে নামাননি।
ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ছয় ম্যাচের মাঝে পাঁচটিতে হারের মুখ দেখেছে শেখ রাসেল, বাদ পড়েছেন কোচ মারুফও। ফিকরুকেও রাখতে চায়নি ক্লাবের ম্যানেজমেন্ট।
এ প্রসঙ্গে মানিকের বক্তব্য হলো ম্যানেজমেন্ট ফিকরুর ওপর আস্থা হারিয়েছে, ‘বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে ফিকরু। এছাড়া নিয়মিত অনুশীলনে না আসা ও ক্লাবের অন্যান্য নির্দেশ না মানাতে ক্লাব আর তাকে রাখেনি। শেখ রাসেলের বিদেশি খেলোয়াড় চার থেকে কমে এখন দুজনে নেমেছে।’
/আরএম/এফআইআর/








