যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার প্রতিনিধি দল। বুধবার সৌজন্য সাক্ষাতে দলটির কাছে সামগ্রিক পারিপার্শ্বিকতার কারণে ফিফার পরামর্শে তৈরি জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা ডিএফএগুলো স্বাচ্ছন্দ্য বা সাবলীলভাবে কাজ করতে পারছে না; সেজন্য এগুলোর পরিমার্জন প্রয়োজন বলে দাবি তুলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
বাংলদেশ সফররত চার সদস্যের ফিফা প্রতিনিধি দল আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎকার শেষে বীরেন শিকদার জানান, ‘বাংলাদেশ সরকার ফুটবল উন্নয়নে নানা কাজ করে যাচ্ছে। আমি বিষয়গুলো ফিফা প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরেছি। সঙ্গে সঙ্গে এটিও বলেছি যে ডিএফএ ও ডিএসএ বা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মাঝে যে সাংঘর্ষিক অবস্থা বিরাজ করছে, সেটি আমাদেরও কাম্য নয়। ডিএফএ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিবন্ধিত সংস্থা নয়, এটি বাফুফের অধীনে একটি সংস্থা। তবু আমরা সরকারের মাঠ ও স্থাপনাসমূহ ব্যবহারের জন্য তাদের বরাদ্দ দেই।’
বীরেন শিকদার আরও বলেছেন, ‘সরকারের সহযোগিতা ছাড়া বাফুফের পক্ষে একা ফুটবল উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব নয়। তাই সরকারের অংশীদারিত্ব কতটুকু হতে পারে তা ভাবার কথা বলেছি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ফুটবল উন্নয়নে সরকার যে সর্বদাই তৈরি, সেই বিষয়টি নিশ্চয়তা দিয়েছি। আমরা সারাদেশে যে প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছি সেটিও জানিয়েছি।’
এদিন সিলেট একাডেমির প্রসঙ্গও এসেছে আলোচনায়। এ প্রসঙ্গে বীরেন শিকদার বলেছেন, ‘আমাদের সঙ্গে বাফুফের একটি পাঁচ বছরের নবায়নযোগ্য চুক্তি ছিল। বর্তমানে একাডেমিটি আর ফুটবল ব্যবহার করছে না। আমরাও এ ব্যাপারে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। ব্যাপারটি সমাধানের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাসকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। আমরা বাফুফের সঙ্গে এই ব্যাপারে ও ফুটবল উন্নয়নে কীভাবে আরও সম্পৃক্ত হওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা করবো।’
/আরএম/







