লিওনেল মেসি ও ডিয়েগো ম্যারাডোনার মধ্যে অবিরত তুলনা বন্ধ করতে বললেন আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপজয়ী মারিও কেম্পেস।
দুই দশক হয়ে গেল ম্যারাডোনা ফুটবল ছেড়েছেন। কিন্তু আর্জেন্টিনায় প্রায়সময় তর্ক চলে তার ও মেসির মধ্যে কে সেরা। আর এমন তুলনায় ক্ষুব্ধ গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুটজয়ের পাশাপাশি ১৯৭৮ সালে ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কার হাতে নেওয়া কেম্পেস, ‘ম্যারাডোনা হলো ম্যারাডোনা, এটা অতর্কাতীত। এছাড়া সে তো আর খেলে না। অনেক আগেই খেলা বন্ধ করেছে সে। আর মেসি (এখনও) খেলে এবং আমাদের আনন্দ দেয়।’
আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জিতলেও ম্যারাডোনা ও মেসির মতো দেশসেরার খ্যাতি না পাওয়া কেম্পেস যোগ করেছেন, ‘তাদের দুইজনকে তুলনা করতে পারেন না আপনারা। কারণ তারা দুটি ভিন্ন যুগে খেলেছে, ভিন্ন দল ও ভিন্ন সতীর্থদের সঙ্গে। এটা আমাদের বন্ধ করতে হবে। তারা বলে ম্যারাডোনা ঈশ্বর, কিন্তু সেখানে ঈশ্বর একজনই (আকাশের দিকে ইঙ্গিত করে)।’
মেসিকে নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনার একটি হলো কখনও দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারেননি। অন্যদিকে ম্যারাডোনা ১৯৮৬ সালে দেশকে এনে দেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা। কিন্তু শুধুমাত্র শিরোপা না জেতায় মেসিকে নিয়ে সমালোচনায় আপত্তি আছে ৬২ বছর বয়সী কেম্পেসের, ‘১৯৮৬ সালে যখন ম্যারাডোনা বিশ্বকাপ জিতল তখন সম্ভবত তার যে সৌভাগ্য ছিল সেটা মেসির ছিল না। ম্যারাডোনার খুব ভালো সতীর্থ ছিল এবং সময়টা তার অনুকূলে ছিল। মেসিরও ভালো সতীর্থ আছে। কিন্তু ম্যারাডোনার যেটা হলো- ঈশ্বরের হাত দিয়ে ফাইনালে যাওয়ার পথ করল এবং ইংলিশ খেলোয়াড়দের মধ্যে কয়েকজনকে টপকে গোল করল। তার দলে ভাগ্য অনেক সহায় ছিল।’
মেসির এমন ভাগ্য হয়নি উল্লেখ করেছেন কেম্পেস, ‘অনেকে বলে মেসির যে একটিও বিশ্বকাপ নেই? না! কেন? (আলফ্রেদো) দি স্তেফানো একটিও বিশ্বকাপ জেতেননি, এমনকি আরও অনেক খেলোয়াড়ই। এ ধরনের সমালোচনা অদ্ভুত।’ সূত্র- ইএসপিএনএফসি
/এফএইচএম/








