প্রাক মৌসুম প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দলের সঙ্গে যাননি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। আসলে গত মৌসুম শেষ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে যোগই দেননি পর্তুগিজ তারকা! ছুটিতে থাকা রোনালদোকে দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে মাঠের বাইরের ঝামেলায়। স্প্যানিশ আদালতে দায়ের করা কর ফাঁকির মামলা নিয়ে বাজে সময় কাটাচ্ছেন তিনি। প্রথমবারের মতো আদালতে হাজিরাও দিতে হয়েছে রিয়াল তারকাকে। সোমবার স্পেনের আদালতে নিজের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন রোনালদো। প্রায় দেড় ঘণ্টার শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
রোনালদোর বিরুদ্ধে স্প্যানিশ আদালতে চলছে ১৪.৭ মিলিয়ন ইউরো কর ফাঁকির মামলা। ইমেজ স্বত্ব থেকে আয় করা টাকার কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে আসছেন রিয়াল তারকা। প্রথমবার আদালতে হাজিরা দিয়েও একই কথা শুনিয়েছেন তিনি। নিজেকে নির্দোষ দাবি করার সময় যুক্তি হিসেবে তার তারকাখ্যাতির বিষয়টি সামনে এনেছেন। স্প্যানিশ দৈনিক ‘এল এস্পানিওল’ ও ‘লাসেক্সতা’ আদালতে দেওয়া রোনালদোর উদ্ধৃতি দিয়ে খবর ছেপেছে। যেখানে তাদের দাবি, তারকাখ্যাতির কারণেই কর ফাঁকির মামলায় ‘ফেঁসে’ গেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা।
আদালতে দেওয়া রোনালদোর উদ্ধৃতিও ছেপেছে পত্রিকটা দুটি, যেখানে চারবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী বলেছেন, ‘যদি আমার নাম ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো না হতো, তাহলে আমি এখানে থাকতাম না।’
আদালতে কী বলেছেন, সেটা নিয়ে অবশ্য কোনও মন্তব্য করেননি সংবাদমাধ্যমের সামনে। দেড় ঘণ্টার শুনানি শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা না বলে চলে গেছেন রোনালদো। আদালতের সামনে থাকা ২১৫ জন গণমাধ্যমকর্মীকে তার আইনজীবি ইনাকি তোরেস জানিয়েছেন, শিগগিরই বিবৃতির মাধ্যমে সবকিছু স্পষ্ট করা হবে।
কর ফাঁকির মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে বড় শাস্তিই অপেক্ষা করছে রোনালদোর জন্য। জেলের সঙ্গে মোটা অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে তাকে। তবে জেলের শাস্তিটা যদি দুই বছরের কম হয়, তাহলে লিওনেল মেসির মতো রোনালদোকেও জেল খাটতে হবে না। স্প্যানিশ সংবিধান অনুযায়ী অহিংস কোনও অপরাধ না করলে দুই বছরের নিচে শাস্তি পাওয়া ব্যক্তিকে জেল খাটতে হয় না। মার্কা, গোল ডটকম
/কেআর/







