বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে সোমবার মাঠে নেমেছিল ঢাকা ও চট্টগ্রাম আবাহনী। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ে নয়, ভিন্ন ম্যাচে। ঢাকা আবাহনীর প্রতিপক্ষ ছিল মোহামেডান, আর চট্টগ্রাম আবাহনী খেলেছে বিজেএমসির বিপক্ষে। জয় পেয়েছে দুই আবাহনীই। ঢাকা আবাহনী ১-০ গোলে হারিয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে, আর চট্টগ্রাম আবাহনীর জয় ২-০ গোলে।
দেশের দুই জনপ্রিয় দলের লড়াইয়ে এখন আর উত্তাপ খুঁজে পাওয়া যায় না। এক সময় আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে দু ভাগ হয়ে যেত পুরো দেশ। অথচ এখন খেলা হয় প্রায় শূন্য গ্যালারিতে। সোমবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেও ছিল হাতে গোনা দর্শক।
মাঠের লড়াইয়ে অবশ্য উত্তেজনার অভাব ছিল না। আবাহনী তুলনামূলক বেশি সুযোগ পেয়েছে গোল করার। কিন্তু ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে শেষ মুহূর্তে।
২১ মিনিটে ওয়ালি ফয়সালের ক্রস থেকে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এমেকা ডার্লিংটনের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে হতাশ করে আবাহনীকে। ১০ মিনিট পর বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের আবার হতাশার পালা। ডান দিক দিয়ে বিপজ্জনকভাবে ঢুকে পড়া আব্দুল বাতেন কমলের প্রচেষ্টা দক্ষতার সঙ্গে ঠেকিয়ে দেন মোহামেডানের গোলরক্ষক মামুন খান।
দ্বিতীয়ার্ধেও আবাহনীর দুটো প্রচেষ্টা নষ্ট করেছেন মোহামেডানের গোলরক্ষক। তবে ৭০ মিনিটে সাদা-কালো শিবিরকে রক্ষা করেছে ক্রসবার। রুবেল মিয়ার ক্রস থেকে এমেকার জোরালো হেড ক্রসবারে বাধা পেয়ে হতাশ করেছে লিগ চ্যাম্পিয়নদের।
৮৯ মিনিটে অবশ্য মোহামেডান দুর্ভাগা। অনিক হোসেনের নিচু ক্রসে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এনকোচা কিংসলে পাঁ ছোয়াতে পারলেই বল পোস্টে চলে যেত।
একের পর এক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় সবাই যখন গোলশূন্য ড্রয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তখনই গোল! ইনজুরি সময়ে নাবিব নওয়াজ জীবনের পাস ধরে প্লেসিং শটে গোল করে আবাহনী সমর্থকদের আনন্দে ভাসিয়ে দেন রুবেল।
তৃতীয় ম্যাচে আবাহনীর এটা দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে মোহামেডানের টানা তৃতীয় হার।
দিনের প্রথম ম্যাচে প্রাধান্য ছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর। তার সুফলও পেয়েছে তারা। বিজয়ী দলের দুই গোলদাতা নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আফিজ ওলাদিপো ও তৌহিদুল আলম সবুজ। টানা তৃতীয় জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চট্টগ্রাম আবাহনী এখন লিগের শীর্ষে। বিজেএমসির সংগ্রহ ১ পয়েন্ট।
এএআর/








