ক্লাব বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও গোল পেয়েছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। যদিও লা লিগার চলতি মৌসুমে সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না রিয়াল মাদ্রিদ তারকার। সেভিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচে জোড়া লক্ষ্যভেদ করলেও রোনালদোর এই মৌসুমে লিগে গোল মাত্র ৪টি। গোল বন্যায় প্রতিপক্ষদের ভাসানো পর্তুগিজ যুবরাজের চেয়ে বেশিবার লক্ষ্যভেদ করেছেন পাউলিনিয়ো। আসল কাজ মাঝমাঠে হলেও প্রয়োজনের সময় গোল করে যাচ্ছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। শুধু রোনালদো নয়, ইউরোপিয়ান ফুটবলে নামিদামি ফরোয়ার্ডদের চেয়েও বেশি গোল বার্সেলোনা মিডফিল্ডারের!
দেপোর্তিভো লা করুণার বিপক্ষে লিগের সবশেষ ম্যাচে পাউলিনিয়ো গোল করেছে দুটি। যাতে চলতি মৌসুমে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে গেছেন ৬-এ। বার্সেলোনার জার্সিতে তার চেয়ে বেশিবার লক্ষ্যভেদ করেছেন কেবল লিওনেল মেসি ও লুই সুয়ারেস। টটেনহামের ‘ফ্লপ’ এই মিডফিল্ডারের ন্যু ক্যাম্পে যোগ দেওয়া নিয়ে হয়েছিল অনেক সমালোচনা। ‘বাতিল’ খেলোয়াড়কে যোগ করে বার্সেলোনা ‘ভুল’ করেছে বলেও খবর ছাপা হয়েছিল স্প্যানিশ মিডিয়ায়। সেই ‘বাতিল’ খেলোয়াড়ই এখন বার্সেলোনার মাঝমাঠে অন্যতম হাতিয়ার।
সেভিয়ার বিপক্ষে জোড়া লক্ষ্যভেদ করার পরও রোনালদোর চলতি লিগে গোল মাত্র ৪টি। পাউলিনিয়োর চেয়ে দুটি কম। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের প্রধান অস্ত্র আন্তোয়ান গ্রিয়েজমানও (৫) ১ গোলে পিছিয়ে ব্রাজিলিয়ান তারকার চেয়ে। চেলসি তারকা এডেন হ্যাজার্ডও লক্ষ্যভেদ করেছেন পাঁচবার। প্রিমিয়ার লিগে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির দাভিদ সিলভার গোলও তাদের সমান। ফিলিপে কৌতিনিয়ো, যার বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, সেই তিনিও (৫) পিছিয়ে আছেন স্বদেশী পাউলিনিয়োর চেয়ে।
আর্সেনালের আলেক্সিস সানচেসের গোল ৪টি। জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড মারিও মানজুকিচের লক্ষ্যভেদও চারবার। বায়ার্ন মিউনিখের আরিয়েন রবেনও খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না, ডাচ তারকার গোল ৩টি। রিয়াল মাদ্রিদের করিম বেনজিমা তো পাউলিনিয়ো থেকে অনেকটা পিছিয়ে। ‘নাম্বার নাইন’ হয়েও ফরাসি স্ট্রাইকারের লক্ষ্যভেদ মাত্র দুটি! মার্কা








