গ্রুপ পর্বে নাম পাল্টে খেলোয়াড় নামিয়ে ফরাশগঞ্জ ১-০ গোলে হারিয়েছিল আবাহনীকে। এই অপরাধের শাস্তিতে কেটে নেওয়া হয় তাদের ওই তিনটি পয়েন্ট। সেই ফরাশগঞ্জই লড়বে ফাইনালে, আর তাদের প্রতিপক্ষও সেই আবাহনী। অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবলের শিরোপা জেতার লক্ষ্যে আগামীকাল রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে তারা।
গ্রুপের হারের প্রতিশোধ নিয়ে ফাইনাল জিততে মরিয়া আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ রুপু। আগ্রাসী ফুটবলের পক্ষে তিনি, ‘ফুটবল গোলের খেলা। জিততে হলে গোল করতে হবে। সুযোগ পেলে সেটা কাজে লাগাতে হবে।’ ফরাশগঞ্জের কঠিন প্রতিরোধ আসবে স্বীকার করেছেন তিনি, ‘চ্যাম্পিয়নশিপ হওয়ার লক্ষ্য পূরণ করতে হবে। আবাহনী সবসময় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য খেলে থাকে। সেই লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হবে। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী, তারা সেরাটা খেলে ফাইনালে উঠেছে। আমাদের মতো তারা চেষ্টা করবে ফাইনাল জিততে।’
আবাহনীর অধিনায়ক রফিকুল ইসলামও আশাবাদী। কোচ গোলাম জিলানির অধীনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য তার। আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে রফিক বলেছেন, ‘আমি অনেক খুশি। এত বড় একটি ক্লাবে খেলার আনন্দ ধরে রাখতে পারছি না। অনেক অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের দলটি তৈরি হয়েছে। জিলানি স্যার একতা নিয়ে এসেছেন। এখন ভালোভাবে খেলে জিততে চাই।’
জাতীয় দলের সাবেক ডিফেন্ডার আবু ফয়সলের কোচিংয়ে এবারই প্রথম কোনও দল ফাইনালে খেলছে। ২০১১ সালে স্বাধীনতা দিবসের ট্রফি জেতা ফরাশগঞ্জ আরেকটি শিরোপা হাতে নিতে চায়। দুর্বল একটি দল নিয়ে এতদূর আসতে পারায় রোমাঞ্চিত ফয়সল, ‘তৃতীয় বিভাগের খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা দল গড়েছি। ম্যাচ-বাই-ম্যাচ জিতেছি। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ভালো হচ্ছে। আবাহনীকে হারিয়ে এখন চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। সবাই আত্মবিশ্বাসী। আগ্রাসী ফুটবল খেলে জিতে মাঠ ছাড়তে আশাবাদী আমরা।’
অধিনায়ক নয়ন হোসেন গ্রুপের ফলাফলের পুনরাবৃত্তি করতে চান, ‘গ্রুপে আমরা আবাহনীকে হারিয়েছি। সেই তিন পয়েন্ট অবশ্য কাটা গেছে। আবারও জেতার জন্য মাঠে নামব, এবার শিরোপা হাতে নিতে।’







