লিওনেল মেসিকে পেয়েছেন তিনি সতীর্থ হিসেবে, আর ক্রিস্তিয়ানো রোনালাদোর বিপক্ষে নেমেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে। নেইমার বার্সেলোনা ছেড়ে গেলেও এই দুজনকে রেখেছেন হৃদয়ের গভীরে। সময়ের দুই সেরা খেলোয়াড়ের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত শিখে চলেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
ব্রাজিলের সান্তোস থেকে ইউরোপিয়ান ফুটবলে যোগ দিয়ে তারকাখ্যাতি পেয়েছেন নেইমার। মেসি ও রোনালদোর সঙ্গে তার তুলনাও চলে খুব। ফুটবল বিশেষজ্ঞ কিংবা সাবেকদের অনেকেই তাদের সঙ্গে তুলনায় দাঁড় করান প্যারিস সেন্ত জার্মেই তারকাকে। যদিও নেইমার বলছেন অন্য কথা। তিনি এখনও মেসি ও রোনালদোর কাছ থেকে শিখছেন।
২০১৩ সালে বার্সেলোনায় যোগ দিয়ে তিনি সতীর্থ হিসেবে পান মেসিকে। আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকরের কাছ থেকে অনুশীলন ও মাঠের ফুটবলে অনেক কিছু শিখেছেন। ক্লাব ছাড়লেও শিক্ষাটা চলছে তার এখনও। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেলেসাও তারকা বললেন তেমনটাই, ‘মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মুখোমুখি? আমি মেসির সঙ্গে খেলেছি, যে আমার কাছে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। ও আমার ফুটবল আদর্শ।’
সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘অনুশীলন কিংবা খেলার সময়, অথবা এমনি দেখেই মেসির কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। যেটা আমাকে শক্তিশালী করে তুলেছে এবং মাঠে আমার সামর্থ্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে, কারণ আমি এখনও তার কাছ থেকে শিখছি।’
মেসিকে না হয় সতীর্থ হিসেবে পেয়েছেন, কিন্তু রোনালদোকে তো সবসময় প্রতিপক্ষ হিসেবেই পেয়েছেন নেইমার! হোক না প্রতিপক্ষ, শেখার যে কোনও সীমানা নেই, সেটাই প্রতিষ্ঠিত করেছেন ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক। বললেন, ‘ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, ও বিস্ময়কর। ওর মুখোমুখি হওয়াটা আমার জন্য আনন্দের ও সম্মানের, যদিও আমরা দুজনই পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতাম। ও ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়, তাই আপনাকে সবসময় সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে আপনি অনেক কিছু শিখতেও পারবেন।’
মেসি ও রোনালদোর কাছ থেকে তাই এখনও শিখে চলেছেন ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড, ‘এই দুজন বড় মাপের মানুষের সঙ্গে আমি নিজেকে মেলাতে পারি, কারণ আমি শিখতে চাই, আরও বেশি জিততে চাই, ট্রফি চাই, আরও গোল করতে চাই... তাই আমি ওদের কাছ থেকে প্রতিদিন শিখছি।’ গোল ডটকম








