উয়েফার অধীনে মিনি টুর্নামেন্টে হার দিয়ে শুরু করায় তৃতীয় ম্যাচে লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিলো রানার্স-আপ। টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় হতে মালদ্বীপকে অন্তত ১৬ গোলের ব্যবধানে হারাতে হতো। যাতে থাইল্যান্ডের চেয়ে গোল গড়ে এগিয়ে থাকা যায়। মালদ্বীপকে ১০-০ গোলে হারিয়েও আক্ষেপ নিয়ে তৃতীয় হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করলো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল।
চার জাতির এই টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ সাইপ্রাসের কাছে ৪-০ গোলে হেরে শুরু করেছিলো। পরের ম্যাচে অবশ্য স্বাগতিক থাইল্যান্ডকে রুখে দেয় ১-১ গোলে। এক ড্র ও জয়ে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের পয়েন্ট সমান ৪ করে। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় রানার্স-আপ হয়েছে থাইল্যান্ড। ৬ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাইপ্রাস।
থাইল্যান্ড তাদের উদ্বোধনী ম্যাচে মালদ্বীপকে উড়িয়ে দিয়েছিলো ১১-০ গোলে। দুর্বল প্রতিপক্ষ পেয়ে বাংলাদেশও মালদ্বীপের রক্ষণ চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়েছে। থাইল্যান্ডের বুরিনামে হ্যাটট্রিক করেন ডিফেন্ডার হেলাল আহমেদ ও ফরোয়ার্ড আশিকুর রহমান। জোড়া গোল করেন নিহাত জামাল উচ্ছ্বাস ও রাসেল আহমেদ।







