ভয়ই পাইয়ে দিয়েছিলো বার্নলি! ষষ্ঠ মিনিটে গোল হজম করে লিভারপুল সমর্থকদের দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজ। যদিও সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন রবের্তো ফিরমিনো ও সাদিও মানে। দুজনই পেয়েছেন জোড়া গোল। তাতে পিছিয়ে পড়েও ৪-২ গোলের জয়ে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ে ফিরেছে লিভারপুল।
আগের দিন ওয়াটফোর্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিল ম্যানসিটি। রবিবার বার্নলিকে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা সিটিজেনদের সঙ্গে ব্যবধান ১ পয়েন্টে নামিয়ে এনেছে লিভারপুল। ৩০ ম্যাচ শেষে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অলরেডস।
যদিও অ্যানফিল্ডের শুরুটা ছিল অন্যরকম। ষষ্ঠ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে আরেকটি হতাশাময় দিনের সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন লিভারপুল সমর্থকরা। লিগের সর্বশেষ ছয় ম্যাচের চারটিতে ড্র করে ব্যাকফুটে চলে যাওয়া অলরেডদের জন্য ছিল অশনিসংকেত। অ্যাশলে ওয়েস্টউড কর্নার থেকে সরাসরি লক্ষ্যভেদ করলে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। গোলরক্ষক আলিসনের মাথার ওপর দিয়ে বল জড়িয়ে যায় জালে।
সমতায় ফিরতে লিভারপুলের খুব একটা সময় লাগেনি। একের পর এক আক্রমণে ১৯ মিনিটে তাদের খেলায় ফেরান ফিরমিনো। মোহাম্মদ সালাহর ক্রস বার্নলি গোলরক্ষকের হাতে লাগলেও কাজ হয়নি, ফাঁকা গোলমুখের সুযোগ কাজে লাগিয়ে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
মিনিট দশেক পর এগিয়ে যায় ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। এবার স্কোরশিটে নাম তোলেন সাদিও মানে। সালাহকে আটকাতে গিয়ে বার্নলির এক ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে চেয়েছিলেন। মিশরীয় ফরোয়ার্ডকে আটকাতে পারলেও বল চলে যায় মানের কাছে। সেনেগাল ফরোয়ার্ডের বাঁকানো শট আশ্রয় নেয় জালে।
২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় লিভারপুল। তবে তৃতীয় গোলের জন্য আক্রমণ চালাতে থাকে তারা। ৬৭ মিনিটে ম্যাচ আরও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে ফিরমিনো দ্বিতীয়বার লক্ষ্যভেদ করলে। বার্নলি গোলরক্ষকের আরেকটি ভুলের সুযোগ নিয়ে চলতি লিগ মৌসুমে ব্রাজিলিয়ান তারকা পান ১১তম গোল।
যদিও ইনজুরি টাইমে ম্যাচ আবার জমিয়ে দিয়েছিল বার্নলি এক গোল শোধ করে। ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন জন বার্গ গুমান্ডসন। যদিও শেষ বাঁশি বাজার আগে মানে দ্বিতয়বার স্কোরশিটে নাম তুললে ৪-২ গোলের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। গোল ডটকম







