চট্টগ্রাম আবাহনীর হাতে ট্রফি দেখছেন মানিক

তানজীম আহমেদ, চট্টগ্রাম থেকে
৩১ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:১৬আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:১৬

শফিকুল ইসলাম মানিক ২০১৫ সালের পর আবার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের ফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনী। শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে তাদের সামনে তেরেঙ্গানু এফসি। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার ক্লাবের বিপক্ষে ফাইনালের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সামর্থ্য চট্টগ্রামের দলটির রয়েছে মনে করেন সাবেক কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক।

চার বছর আগে প্রতিযোগিতার প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। ওইবার কোচ ছিলেন মানিক। ফাইনালে ভারতের ঐতিহ্যবাহী ইস্ট বেঙ্গলকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল তার দল। মারফুল হকের অধীনে এবারও চট্টগ্রামের দলটি শিরোপার দাবিদার বললেন মানিক।

স্বাগতিকদের বর্তমান পারফরম্যান্স আশাবাদী করে তুলছে সাবেক কোচকে, ‘চট্টগ্রাম আবাহনীর খেলা আমি দেখেছি। দেখে মনে হয়েছে, ট্রফি জেতার সামর্থ্য আছে তাদের। দলটি ভারসাম্যপূর্ণ। সবদিক দিয়েই ভালো। তাছাড়া মারুফও ভালো কোচ। খেলা হবে নিজেদের মাঠে, সব মিলিয়ে আরও একটি ট্রফি জেতার সম্ভাবনা তাদেরই বেশি।’

শক্তির বিচারে প্রতিপক্ষকে পিছিয়ে রাখতে পারছেন না মানিক। জাতীয় দলের সাবেক এই ডিফেন্ডার বলেছেন, ‘আমার সময়ে ইস্ট বেঙ্গল খারাপ দল ছিল না। এবার মালয়েশিয়ার দলকেও বেশ শক্তিশালী মনে হচ্ছে। লি টাকের মতো খেলোয়াড় তাদের আছে, যে একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। এছাড়া জাপানের ব্রুনো সহ একাধিক ভালো খেলোয়াড় আছে। সব মিলিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে মনে হচ্ছে।’

চট্টগ্রাম আবাহনীর সম্ভাবনা নিয়ে মানিকের ব্যাখ্যা, ‘আবাহনী প্রস্তুতির সময় খারাপ পায়নি।দলে জামাল ভূঁইয়ার মতো খেলোয়াড় আছে। এছাড়া বিদেশি খেলোয়াড়রাও ভালো খেলছে, যারা ম্যাচ জয়ী। প্রতিপক্ষ দলের লি টাক সহ অন্যদের মেলে ধরতে না দিলে আবাহনীর পক্ষে ট্রফি জেতা সম্ভব হবে।’

দর্শকদের উপস্থিতি মুগ্ধ করছে মানিককে। আগের ম্যাচগুলোর মতো ফাইনালেও তাদের দারুণ সমর্থনের অপেক্ষায় তিনি, ‘দর্শকরা এবার শুরু থেকে বেশ সাড়া দিচ্ছে। প্রত্যেক ম্যাচেই দেখছি তারা উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। খেলোয়াড়রাও তাতে উজ্জীবিত মনে হচ্ছে। একে চাপ মনে করার কিছু নেই। জিতে গেছি- এই মনোভাব খেলোয়াড়দের মনে পেয়ে না বসলেই হয়। আমার আশা ট্রফি দেশেই রাখুক চট্টগ্রাম আবাহনী।’

২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবরের ফাইনালের স্মৃতি এখনও পুরোনো হয়নি মানিকের কাছে, ‘সেই দিনটি আমি ভুলি কী করে। ভাবলে এখনও স্বপ্নের মতোই মনে হয়। আমার কোচিং ক্যারিয়ারে এটা ছিল অন্যতম সাফল্য। ওই সময় দল ভালো খেলেছিল, পাশাপাশি ভাগ্যও সহায় ছিল। ধার করা খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গড়া হয়েছিল। প্রস্তুতির তেমন সময় পাইনি। সবার অনুপ্রেরণায় ওইবার দল ভালো খেলেই ট্রফি জিতেছিল।’

/এফএইচএম/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী