প্রথম সেমিফাইনালের পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও পারল না ব্রাজিল। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ৩-০ গোলে হেরে শেষ হলো স্বাগতিকদের বিশ্বকাপ। প্রথমার্ধে দুই গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় যোগ করা সময়ে আরেকটি গোল করে ব্যবধান ৩-০ তে নিয়ে যায় ডাচরা। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের দুর্বলতায় প্রথমার্ধে ২ গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। খেলার একেবারে শেষ দিকে যোগ করা সময়ে আরেকটি গোল করে ডাচরা ব্যবধান বাড়ায় ৩-০ তে। তৃতীয় গোলটি করেন উইজনালডাম। দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল অনেকগুলো আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পায় নি। বারবার ডাচ ডি বক্সে বল ঢোকার মুখে বাধাগ্রস্ত হয়েছে ব্রাজিলের আক্রমণ। এর আগে খেলা শুরু হওয়ার তৃতীয় মিনিটেই পেনাল্টি থেকে গোল করে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে নেন রবিন ফন পার্সি। এরপর ১৭ মিনিটে আবারও গোল করেন দালে ব্লাইন্ড। খেলার ১৫ মিনিটে বল নিয়ে বক্সে ঢোকার সময় নেদারল্যান্ডসের ফরোয়ার্ড আরিয়েন রবেনকে ফেলে দেন ব্রাজিলের অধিনায়ক থিয়েগো সিলভা। এ জন্য তাকে হলুদ কার্ড এবং নেদারল্যান্ডসের পক্ষে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল করেন রবিন ফন পার্সি। এবারের বিশ্বকাপে পার্সির এটা চতুর্থ গোল। পরবর্তীতে খেলার ১৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন দালে ব্লাইন্ড। ডানপ্রান্ত দিয়ে রবেনের ক্রসে বল ক্লিয়ার করতে হেড নেন ডেভিড লুইস। তার হেডে বক্স থেকে বল রিসিভ করেই শট নিয়েছেন ব্লাইন্ড। ব্রাজিলের গোলরক্ষক হুলিও সিজার কিছু বুঝে ওঠার আগেই বল জালে জড়িয়েছে। ব্রাজিলও ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল। ২১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া অস্কারের শট নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক ইয়াসপার সিলেসেন ঝাঁপিয়ে পড়ে বিপদমুক্ত করেন। শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ব্রাসিলিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়।








