গোলের জন্য একের পর এক আক্রমণের চেষ্টা আবাহনী লিমিটেডের। উল্টো একপর্যায়ে মাজিয়ার কাছে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়লো স্বাগতিক দল। কিন্তু ভাগ্য ভালো যে বিরতিতে যাওয়ার কেবলই আগে আবাহনী সমতা ফিরিয়েছে তাদের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মেলসন আলভেজের গোলে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনী খেলেছে ৪-৩-৩ ছকে। জীবন-সানডে-বেলফোর্ট আক্রমণত্রয়ী শুরু থেকে প্রতিপক্ষের সীমানায় বল নিয়ে গেলেও গোল করতে পারেননি।
১৬ মিনিটেই আবাহনী গোল হজম করতে বসেছিল! মধ্যমাঠ থেকে জীবনের ব্যাক পাস থেকে বল পেয়ে যান করনেলিউস এসেকিয়েল। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে গ্রানাডার এই স্ট্রাইকার সাদ উদ্দিন ও মেলসনকে কাটিয়ে লক্ষ্যে শট নিলেও বল গোলকিপার শহীদুল আলম সোহেলের শরীরে লেগে ফিরে আসে।
ম্যাচ ৩০ মিনিট পেরোনোর পর আবাহনী প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে গিয়ে আক্রমণ করতে পেরেছে। অবশ্য ৩১ মিনিটে মামুনুলের কর্নারে সানডের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
পরের মিনিটে বেলফোর্টের গড়ানো শট গোলকিপার তালুবন্দী করেন। ৩৯ মিনিটে বক্সের বাইর থেকে মেলসন আলভেজের বুলেট গতির ফ্রি-কিক গোলকিপার ওভাইস আজিজি পাঞ্চ করে ফিরিয়ে দেন।
৪২ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে মাজিয়া গোল করে এগিয়ে যায়। ইব্রাহিম হুসেনের ডান প্রান্তের লব থেকে লক্ষ্যভেদ করেন এসেকিয়েল।
প্রথমার্ধের যোগ হওয়া সময়ে মেলসন সমতা আনেন ম্যাচে। রায়হানের ক্রস বুক দিয়ে নামিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো ভলিতে ১-১ করেন আবাহনীর ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার।
আবাহনী লিমিটেড: শহীদুল আলম সোহেল, রায়হান হাসান, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম, সোহেল রানা, নাবীব নেওয়াজ জীবন, সানডে চিজোবা, সাদ উদ্দিন, বেরহার্ট এডগার, মেলসন আলভেজ ও কেরভেন্স বেলফোর্ট।








