এএফসি কাপে গতবার আঞ্চলিক সেমিফাইনালে খেলেছে আবাহনী লিমিটেড। এবারও আশা ছিল তেমনই কিছু একটা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলো কই? এবার প্রাথমিক পর্ব থেকেই আকাশি-হলুদ জার্সিধারীদের বিদায় নিতে হলো। পরের পর্বে যেতে বুধবার আবাহনীর দরকার ছিল জয়। মালেতে জীবন-সাদদের জিততে দেয়নি স্বাগতিক মাজিয়া ক্লাব। ম্যাচটি হয়েছে গোলশূন্য ড্র। আর তাতেই বিদায় নিতে হয়েছে মারিও লেমোসের দলকে। ঢাকার ম্যাচে দুই গোল দেওয়ার সুবাদে মাজিয়াই এখন খেলবে প্লেঅফ পর্বে।
ঢাকায় নিজেদের মাঠে পিছিয়ে পড়ে আবাহনী ২-২ গোলে ড্র করেছিল মাজিয়ার সঙ্গে। মালেতে তাই তিনটি পয়েন্টই চাওয়া ছিল আবাহনীর। যদিও তিন বা তিনের বেশি গোল করে ড্র করলেও লক্ষ্যপূরণ হতো। কোনটাই হয়নি।
প্রথমার্ধে আবাহনী আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেও গোল পায়নি। তাদের প্রথম সংঘবদ্ধ আক্রমণ ২৮ মিনিটে, কিন্তু সানডের শট রুখে দেন গোলকিপার।
তিন মিনিট পর মামুনুলের ফ্রি-কিক পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ফাঁকে ফাঁকে মাজিয়াও আক্রমণে উঠেছে। তবে গোলকিপার শহীদুল আলম সোহেল তাদের গোল করতে দেননি। বিরতির এক মিনিট আগে মাজিয়ার দারুণ একটি সুযোগ প্রতিহত করেন সোহেল।
বিরতির পর আবাহনীর আক্রমণের ধার কিছুটা কমে যায়। এরই মধ্যে ৭৭ মিনিটে মাজিয়া আরেকবার গোলের কাছাকাছি আসে। এবারও তাদের গোলবঞ্চিত রাখেন সোহেল।
তিন মিনিট পর আবাহনী গোলের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে। বেলফোর্টের পাসে সানডে বক্সে সুবিধামতো জায়গায় বল পেয়েও গোল করতে পারেননি। ম্যাচের শেষের দিকে দুই দল বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। যে কারণে কিছুক্ষণ খেলা থাকে বন্ধ।
খেলার যোগ করা সময়েও আবাহনী লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। হতাশা নিয়েই ফিরে আসতে হয় তাদের।








