চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা। কেন চ্যাম্পিয়ন, সেটাই দেখালো বায়ার্ন মিউনিখ। ইউরোপের ‘শক্তিশালী রক্ষণ’ খ্যাত আতলেতিকো মাদ্রিদকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করেছে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। আগস্টে ইউরোপসেরার মুকুট জিতেছিল যারা গোলে, সেই কিংসলে কোমানের জোড়ায় মাদ্রিদের ক্লাবটিকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা ৪-০ গোলে।
লিসবনের ফাইনালে প্যারিস সেন্ত জার্মেইকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিতেছিল বায়ার্ন। একমাত্র গোলটি করা কোমান নতুন মৌসুম শুরু করলেন যেন সেখান থেকেই। নিজে করলেন দুটো গেল, আরেকটি করালেন লিয়োন গোরেৎকা দিয়ে। সঙ্গে কোরেনতিঁ তোলিসো জাল খুঁজে পেলে চ্যাম্পিয়নদের মতো করেই ২০২০-২১ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু করেছে বায়ার্ন।
ঘরের মাঠ আলিয়েঞ্জ অ্যারেনায় ২৮ মিনিটে ব্যাভারিয়ানদের এগিয়ে নেন কোমান। ইয়োশুয়া কিমিচের ভাসিয়ে দেওয়া বল ডি বক্সের ভেতরে প্রথমে বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণে নেন, এরপর ডান পায়ে আড়াআড়ি শটে পাঠিয়ে দেন জালে। দ্বিতীয়ার্ধেই বায়ার্ন ব্যবধান দ্বিগুণ করে গোরেৎকার গোলে। এবার অ্যাসিস্টের ভূমিকায় কোমান। তার ক্রস থেকেই গোল পান জার্মান মিডফিল্ডার।
দ্বিতীয়ার্ধেও খেলায় ফিরতে পারেন আতলেতিকো। বরং ৬৬ মিনিটে তোলিসোর চোখ ধাঁধানো গোলে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। স্মৃতি পাতায় সাজিয়ে রাখার মতো এক গোল করেছেন তোলিসো। ফরাসি মিডফিল্ডার বক্সের অনেকটা বাইরে আচমকা শট নিলে একেবারে গোলপোস্টের কোণা দিয়ে জড়িয়ে যায় জালে। আতলেতিকো গোলকিপার ইয়ান ওবলাকের কিছুই করার ছিল না।
৭২ মিনিটে বিধ্বস্ত আতলেতিকোর কফিনে শেষ পেরেকটি মারেন কোমান। এবার চমৎকার একক প্রচেষ্টায় বোকা বানান ওবলাককে। ২৪ বছর বয়সী এই তরুণ গোলমুখে রাখা দুটো শট থেকেই পেয়েছেন গোল।
বায়ার্নের দাপুটে শুরুর বিপরীতে চরম হতাশার এক রাত কেটেছে আতলেতিকোর। খেলায় ধার ছিল না, অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে খেই হারিয়ে সুযোগ নষ্ট করেছে। সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছেন লুইস সুয়ারেজ। মাদ্রিদের ক্লাবটির জার্সিতে লা লিগায় দারুণ অভিষেক হলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে পুরোপুরি ব্যর্থ। এই ধরনের বড় ম্যাচে তার কাছে দলের অনেক প্রত্যাশা থাকাই স্বাভাকি। কিন্তু কিছুই করতে পারেননি। ৭৬ মিনিটে বদলি হওয়ার আগে মাত্র একটি শট নিতে পেরেছেন তিনি। তাছাড়া তিনি অফসাইডে থাকার কারণেই বাতিল হয়েছে জোয়াও ফেলিক্সের গোল।








