বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে শক্তিশালী কাতারের কাছে ৫-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। হারের পর প্রধান কোচ জেমি ডের দিকে আঙুল তুলেছেন অনেকেই। যার জের ধরে তাকে ছাঁটাই করার গুঞ্জনও ওঠেছে! যদিও ইংলিশ কোচ এসব নিয়ে ভাবছেন না। তার ভাবনায় দলের সামনের বছরের পরিকল্পনা।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আরও তিনটি ম্যাচ বাকি আছে বাংলাদেশের। ওই ম্যাচগুলোতে কীভাবে আবারও ভালো করা যায়, দলের কৌশলগত জায়গা আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, জেমি ডের ভাবনায় ভাসছে এখন এসব।
করোনামুক্ত হলেও ডে এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। লন্ডনে ডাক্তারের অধীনে নতুন করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সেখান থেকে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের (পল স্মলি) সঙ্গে আগামী বছরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। কীভাবে জাতীয় দল নিয়ে কাজ শুরু হবে তা নিয়ে। এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।’
চাকরি হারানোর গুঞ্জন লন্ডন থেকেও শুনতে পেয়েছেন ডে। তাই একটু অবাক তিনি, ‘আমি খুব অবাক হয়েছি এমন খবর শুনে। কিন্তু এটাই ফুটবল। আমি এ নিয়ে চিন্তিত নই। ফুটবলে অনেক কিছুই হতে পারে। এর সঙ্গে আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে।’
প্রায় তিন বছর ধরে বাংলাদেশ দলের দায়িত্বে আছেন ডে। নিজের কাজের পারফরম্যান্সে তিনি কিন্তু সন্তুষ্ট, ‘আমি বাংলাদেশের কোচের দায়িত্ব পালন করে খুশি। আমার কাজে সন্তুষ্ট বলতে পারেন। আমার অধীনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ৬০ ভাগ জয়ের রেকর্ড আছে। যা আমি আসার আগে ছিল ২৮ ম্যাচে তিন জয় মাত্র। সবশেষ নেপালের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছি, যা গত ৫ বছরে হয়নি।’
কাতার ম্যাচের হারের ব্যাখ্যায় ডে আবারও বলেছেন, ‘আমি আগেই বলেছি পাঁচ সপ্তাহের প্রস্তুতি নিয়ে কাতারের মতো দলের বিপক্ষে লড়াই করা কঠিন। আফগানিস্তানের র্যাঙ্কিং ১৬৫। তারা তো ৬ গোল হজম করেছে।’








