সাইফ স্পোর্টিংয়ের এটি চতুর্থ মৌসুম। এবারের ফেডারেশন কাপ দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনালের টিকিট পেয়েছে তারা। বুধবারের সেমিফাইনালে তারা ৩-০ গোলে হারিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীকে। বিপরীতে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মৌসুম শুরু করা চট্টগ্রামের দলটিকে থেমে যেতে হয়েছে। বিদায়বেলায় বিদেশি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন না পাওয়ার কথা শুনিয়েছেন চট্টগ্রাম আবাহনী কোচ মারুফুল হক।
তারুণ্যনির্ভর দল নিয়ে ট্রফিতে চোখ রেখেছিলেন মারুফুল। কিন্তু তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ালো সাইফ। সেমিফাইনালেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে তাদের।
ম্যাচশেষে মারফুল হক প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, সেমিফাইনালে হারের কারণ, ‘প্রথমবার ফাইনালে ওঠায় সাইফকে অভিনন্দন। আসলে আমার টিমের সমস্যা হলো বিদেশিরা শেষ মুহূর্তে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। চিনেদু ম্যাথু কোভিড থেকে উঠে এসে প্রথম ম্যাচ খেলছে। আসলে বিদেশিদের কাছ থেকে পুরো সমর্থনটা পাইনি।’
তবে নিজেদের সুযোগ মিসের কথাও বললেন দেশসেরা এই কোচ, ‘আমরা যেভাবে শুরু করেছিলাম, ঠিক ছিল। এরপর শুরুতে একটা গোল খেয়ে গেলাম। ওদের কৌশল ছিল প্রতিআক্রমণ-নির্ভর খেলা। ওরা সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছে। খেলোয়াড়দের জোনাল মার্কিংয়ের ব্যাপারে বারবার বলেছিলাম, কিন্তু ওরা সেটা করতে পারেনি। তারপরও সুযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারিনি।’
সাইফের বেলজিয়ান কোচ জোসেফ পুট ম্যাচ জিতে খুশি, ‘আমরা কিছু কৌশলগত বিষয় আজ প্রয়োগ করেছিলাম। ম্যাচটা বেশ সহজ হয়েছে আমাদের জন্য। ছেলেদের বলেছিলাম, আমরা যদি শুরুর সুযোগ কাজে লাগাতে পারি, পজিশন ধরে রাখতে পারি, তাহলে ভালো করবো। ছেলেরা তাই করতে পেরেছে, আমি খুশি। আমাদের দলটা তারুণ্যনির্ভর, কিন্তু মাঠে তারা পরিণত ফুটবল খেলেছে।’
আগামী ১০ জানুয়ারি ফাইনালে সাইফ স্পোর্টিং খেলবে আবাহনী লিমিটেড ও বসুন্ধরা কিংসের মধ্যেকার বিজয়ী দলের বিপক্ষে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মাঠে নামবে আবাহনী-বসুন্ধরা।









