যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সঙ্গে সভা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী নিজেই এসেছিলেন বাফুফে ভবনে। সেখানে ফুটবল উন্নয়নে নানান দিক-নির্দেশনা উঠে এসেছে। এ সময় ফুটবলের জন্য নতুন স্টেডিয়ামের কথাও জানিয়েছেন বাফুফের কর্মকর্তারা। যা তাদের দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ক্রীড়াপ্রতিমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবারের এই সভায় ছিলেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদসহ অন্যরা।
সভা শেষে বাফুফে সভাপতি সালাউদ্দিন সংবাদ মাধ্যমের কাছে এর বিস্তারিত তুলে ধরেন, ‘আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। আমাদের কিছু দাবি-দাওয়া ছিল, সেগুলো তাকে জানিয়েছি।আনন্দের বিষয় হলো আমাদের বেশিরভাগ দাবিই তিনি মেনে নিয়েছেন। পর্যালোচনা করে শিগগির সেগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবেন- এরকম আশ্বাসই তিনি দিয়েছেন।’
এর পরেই যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাফুফের নতুন নির্বাচিত কমিটির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলাম। তারা আমাদের কাছে কিছু দাবি পেশ করেছেন। অতীতেও বাফুফের সঙ্গে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে, তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি। আগামী চার বছর মেয়াদে বাফুফে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও কর্মসূচি কীভাবে করতে চায়, সেগুলো নিয়ে আমার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কিভাবে আমরা বাফুফেকে সাহায্য করতে পারি, সেসব নিয়ে কথা হয়েছে। এগুলো মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে উত্থাপিত হবে এবং আলোচনার সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
নতুন স্টেডিয়াম ছাড়াও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে আরও কিছু চেয়েছে বাফুফে। এরমধ্যে আর্থিক অনুদান, কমলাপুরের স্টেডিয়ামে একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা ছাড়াও কিছু বিষয় জড়িত ছিল। সেসব বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাফুফে সভাপতি আমাদের কাছে দুটি আলাদা ফুটবল স্টেডিয়াম চেয়েছেন। একটি ঢাকা বা ঢাকার আশেপাশে, আরেকটি ঢাকার বাইরে। এটা বাস্তবায়ন করতে ইতোমধ্যেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেটার কার্যক্রমও ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ঢাকার বাইরে কক্সবাজারে একটি ফুটবল স্টেডিয়াম হবে। সেটার নকশাও (আউটলুক) প্রস্তুত হয়ে গেছে। আজই সেটি দেখে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ভবিষ্যতে সুযোগ হলে এরকম আলাদা ফুটবল স্টেডিয়াম আরও নির্মাণ করা হবে।’
অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামটি ভেঙে ফেলে নতুন করে নির্মাণের কথা অনেকেই বলছেন। কিন্তু এখনও তো স্টেডিয়ামের আয়ু আছে। কাজেই এটাকে ভেঙে নতুন করে বানানোর কোন পরিকল্পনা আপাতত আমাদের নেই।’
তিনি আরও যোগ করে বলেছেন, ‘পল্টনের মাঠটির আধুনিকায়ন করা হবে। তবে এই মাঠে ফুটবলের পাশাপাশি অন্যান্য ফেডারেশনেরও খেলা হয়ে থাকে। তারাও যেন স্টেডিয়ামটি ব্যবহার করতে পারে, সেদিকেও আমাদের নজর থাকবে।’









