দল বদলের আগে বিভিন্ন ক্লাব থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুমের জন্য অগ্রীম অর্থ নিয়েছিল শেখ জামালে খেলা জাতীয় দলের শীর্ষ খেলোয়াড়রা। কিন্তু সেই চেক শেখ জামালকে দিয়ে জামালেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর ফলে সেই চেকগুলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে ফেরত দিয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় অটুট রইলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপাধারীদের সেই আগের স্কোয়াড।
আজ বুধবার দুপুরে চেকগুলো বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের কাছে জমা দেন শেখ জামালের ফুটবল কমিটির সদস্য সাবেক জাতীয় উইঙ্গার আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু। ঘর ছাড়তে মামুনুল, নাসির, ইয়ামিন, সোহেল রানা, তকলিস আহমেদ চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছ থেকে, জামাল ভূঁইয়া, মোনায়েম রাজু, শাখাওয়াত রনি, লিঙ্কন শেখ রাসেলের কাছ থেকে এবং ইয়াসিন খান ঢাকা আবাহনীর কাছ থেকে অগ্রীম অর্থের চেক নিয়েছিলেন। এদের মধ্যে রাজু, রনি ও তকলিসকে তাদের অনুরোধে ক্লাব ছাড়ার অনুমতি দিতে পারে শেখ জামাল।
চেকের সঙ্গে চুন্নু খেলোয়াড়দের আত্ম-স্বীকৃতিমূলক একটি জবানবন্দিও জমা দেয়। এতে খেলোয়াড়রা বলেছেন যে তারা শেখ জামালের তাঁবুতে থাকাকালীন এই চেকগুলো নিয়েছিলেন। কিন্তু এটি যে বৈধ হবে না সেটা তাদের জানা ছিল না। তারা এ ব্যাপারে পরে জানতে পেরে ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ফলপ্রসূ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আবারও ক্লাবে আরেক মৌসুম খেলার সিদ্ধান্ত নেন। তারা আগামী মৌসুমে শেখ জামালেই থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।
এখানেই শেষ নয় শেখ জামাল ক্লাব সঙ্গে সঙ্গে বাফুফের কাছে আরেকটি চিঠিও দিয়েছে । চিঠির মূল বিষয়বস্তু হলো, যে সব ক্লাব আইন ভঙ্গ করে ক্লাব তাঁবুতে থাকাকালীন তাদের খেলোয়াড়দের অগ্রীম অর্থ প্রদান করেছে তারা অবৈধ কাজ করেছে এবং শেখ জামাল এ ঘটনার বিচার দাবি করেছে।
এ প্রসঙ্গে আবু নাঈম সোহাগ বলেন, ‘আমরা ব্যাপারটি আগামী লিগ কমিটির সভায় আলোচনা করবো। এ ব্যাপারে আইন যে পথে চলে সেভাবেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’
শেখ জামালের সামনে রয়েছে বেশ কিছু অর্জনের সুযোগ। রয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে হ্যাটট্রিক ট্রফির সম্ভাবনা, এএফসি কাপের চূড়ান্ত পর্বে দেশের নাম উজ্জ্বল করার সুযোগ।
/আরএম/এফআইআর/








