একটু দেরিতে হলেও আগামী ২৪ ও ২৯ মার্চ ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথমটিতে প্রতিপক্ষ মালদ্বীপ, আর দ্বিতীয়টিতে মঙ্গোলিয়া। দুটি দলই আবার র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে।
২৪ মার্চ মালদ্বীপে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ২৯ মার্চ সিলেটে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে প্রতিপক্ষ মঙ্গোলিয়া। স্বাভাবিকভাবেই র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের উদ্বেগে থাকার কথা। কিন্তু তাদের প্রেরণা জোগাতে পারে সবশেষ লড়াই। সেখানে আবার বাংলাদেশের রেকর্ড উজ্জ্বল।
তিন দলের মধ্যে মালদ্বীপের র্যাঙ্কিং সবার ওপরে- ১৫৭। মঙ্গোলিয়া আছে তারপর, ১৮৪। আর বাংলাদেশ তো দুই ধাপ পিছিয়ে এখন অবস্থান করছে ১৮৬ নম্বরে। ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলে লাল-সবুজ দল চাইছে র্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি করতে। আর তা অনেকটা সম্ভবও। এই তো গত বছরের নভেম্বর কলম্বোতে চার জাতি টুর্নামেন্টে মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এসেছিল কাঙ্ক্ষিত সেই জয়। এই পর্যন্ত দুই দলের ১৪ ম্যাচের মুখোমুখিতে বাংলাদেশ জিতেছে ৬টিতে, হেরেছে ৫টি আর ড্র করেছে ৩টি। তবে মালদ্বীপের মাঠে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের জয়ের রেকর্ড নেই। তাই আলী আশফাক-আলী ফাসিরদের বিপক্ষে ম্যাচটি কঠিন লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছে।
আবার মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষেও সাম্প্রতিক সময়ে খেলা হয়নি। সবশেষ ২০০১ সালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম লেগে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর ফিরতি লেগে ৩-০ গোলে বড় জয় এসেছিল। জাতীয় দলের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদ জোড়া গোল করেছিলেন। অন্যটি রোকনুজ্জামান কাঞ্চনের দেওয়া। তবে সিলেটে নিজেদের মাঠে লড়াইয়ে আবারও ২১ বছর আগের সুখস্মৃতি ফেরানোর ভালো সুযোগ আছে।
দুটি ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার অভিষেক হতে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৩৭ বছর বয়সী কোচ বিভিন্ন মাঠ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ঘরোয়া ফুটবলে খেলোয়াড়দের পর্যবেক্ষণ করছেন নিবিড়ভাবে। মার্চের দুটি ফিফা প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে দিনকয়েক অনুশীলনের সুযোগ পাবেন। তারপরই হবে আসল পরীক্ষা।









