ইউক্রেনে হামলার পর থেকে নানারকম নিষেধাজ্ঞা ধেয়ে আসছে রাশিয়ার ওপর। ইউরোপীয় ক্লাবগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধেই অবস্থান নিচ্ছে। যার ফলে ক্রীড়া ইভেন্ট থেকে শুরু করে একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছে স্পনসরশিপ চুক্তিও।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে। রাশিয়াকে কোণঠাসা করতে সেই ভেন্যু সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উয়েফা। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে এখন সেটি অনুষ্ঠিত হবে স্তাঁদ দি ফ্রান্সে।
এই নিষেধাজ্ঞার পর চ্যাম্পিয়নস লিগের স্পন্সরশিপ নিয়েও কড়া সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য রাশিয়া বা রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার নাম গ্যাজপ্রম। এই গ্যাজপ্রমই ইউরোপীয় টুর্নামেন্টটির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। যাদের সঙ্গে চুক্তিটা ৬৬ মিলিয়ন পাউন্ডের। ডেইলি মেইলের খবর অনুযায়ী উয়েফা এই চুক্তিটিও বাতিলের কথা ভাবছে। তেমনটি হলে স্টেডিয়ামে এর কোনও ধরনের বিজ্ঞাপন শোভা পাবে না। সরিয়ে নেওয়া হবে। একই অবস্থা হবে টিভি বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও।
অথচ গত বছরই তিন বছরের জন্য চুক্তিটা বাড়ানো হয়েছিল। প্রতি মৌসুমে যার মূল্যমান ৩৩.৬ মিলিয়ন পাউন্ড! জানা গেছে, এই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পেছনে চাপ সৃষ্টি করছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন।
গ্যাজপ্রম এরই মধ্যে বড় ধাক্কা খেয়েছে জার্মান ক্লাব শালকের কাছ থেকে। নিজেদের শার্ট থেকে সংস্থাটির লোগো সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা। অথচ গ্যাজপ্রম ক্লাবটির সবচেয় বড় পৃষ্ঠপোষক। সেই ২০০৭ সাল থেকে তাদের স্পন্সর করে আসছে। তাদেরও আগে রাশিয়ার আরেক এয়ারলাইন কোম্পানি এরোফ্লটের সঙ্গেও স্পন্সরশিপ বাতিল করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। চুক্তিটি ছিল ৪০ মিলিয়ন পাউন্ডের।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উয়েফা আরও জানিয়েছে, ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার কোনও ম্যাচই ইউক্রেন কিংবা রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে না।









