ম্যাচে প্রায় একচেটিয়া খেললো বসুন্ধরা কিংস। সুযোগ মিলতেই একের পর এক গোল করে জালও কাঁপিয়েছে। তাতে করে রবিনিয়ো-সুমন রেজারা দুঃস্বপ্ন উপহার দিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীকে। তাদের ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। লিগে এটাই অস্কার ব্রুজনদের বড় জয়। ব্রাজিলিয়ান রবিনিয়ো দুটি, সুমন রেজা, মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও এলিটা কিংসলে একটি করে লক্ষ্যভেদ করেছেন।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে শুক্রবার মারুফুল হকের দল তেমন সুবিধা করতে পারেনি। শুরু থেকে প্রতিপক্ষের আক্রমণের ঢেউয়ে নাকানিচুবানি খেয়েছে। ম্যাচটা কার্যত শেষ হয়ে যায় প্রথমার্ধেই।
ম্যাচ ঘড়ির ১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা। বাঁ দিক থেকে ক্রস করেছিলেন ইয়াসিন আরাফাত; গোলকিপারকে সুযোগ না দিয়ে সুমন হেড করে জাল খুঁজে নেন।
২৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রবিনিয়ো। সুমনের সঙ্গে একবার বল দেওয়া নেওয়া করে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ব্রাজিলিয়ান। চার মিনিট পর রনিয়োর পাসে ইব্রাহিমোর কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ালে স্কোরলাইন হয় ৩-০।
রবিনিয়ো বিরতির আগ মুহূর্তে ডান পায়ের জোরালে শটে জাল কাঁপালে এই অর্ধেই কোণঠাসা হয়ে যায় চট্টগ্রাম আবাহনী। এই গোলের পর লিগে ব্রাজিলিয়ান তারকার গোল সংখ্যা দাঁড়ালো আটে।
বিরতির পরও মাথা তুলে দাঁড়ানোর মতো উদ্যোম ছিল না চট্টগ্রাম আবাহনীর। তবে ৫৭ মিনিটে একটা সুযোগ ছিল ব্যবধান কমানোর। থ্যাঙ্কগডের আড়াআড়ি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিয়েও রুবেল মিয়ার শট চলে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে। বসুন্ধরা শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয় ৬৭ মিনিটে। ইব্রাহিমের ক্রস থেকে এলিটা কিংসলের হেডে স্কোর লাইন দাঁড়ায় ৫-০। দিনের অন্য ম্যাচে শেখ জামাল ও সাইফ ২-২ গোলে ড্র করেছে।
বসুন্ধরা ৮ ম্যাচে সপ্তম জয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে। চট্টগ্রাম আবাহনী সমান ম্যাচে দ্বিতীয় হারে আগের ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। শেখ জামাল ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় ও সাইফ স্পোর্টিং ১১ পয়েন্টে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে।









