গোল মিসের মহড়া দিয়েছে বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণ করেও প্রতিপক্ষের গোলমুখ কিছুতেই খুলতে পারেনি। ফলে সিলেটে স্বাগতিকদের ভালোভাবেই রুখে দিতে পেরেছে মঙ্গোলিয়া। এমন ম্যাচের পর সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে দর্শকদের হাততালি কুড়িয়েছে অতিথিরা। মঙ্গোলিয়ার কোচ ম্যাচ শেষে ‘নতুন ইতিহাস’ হয়েছে বলে বেশ খুশি। অন্যদিকে লাল-সবুজ দলের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা ড্র করেই খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত!
স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার অধীনে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। মালদ্বীপের বিপক্ষে হারের পর এবার সিলেটে ড্র হলো। রাকিব-সুমন-জামালরা একের পর এক গোল মিস করে গেছেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ৩৭ বছর বয়সী কোচ স্ট্রাইকারদের পক্ষেই কথা বলেছেন, ‘স্ট্রাইকারদের পারফরম্যান্সে খুশি। যদিও তারা গোল পায়নি। খেলোয়াড়রা ভালো খেলেছে। অনেক ভালো দিক আছে। মাঠে দর্শকরা এসেছে। আমাদের সমর্থন করছে। এটা ভালো দিক।’
বাংলাদেশ জিততে পারেনি, গোলশূন্য ড্র করেছে। তবু খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্ব করা উচিত বলে মনে করছেন স্প্যানিশ কোচ, ‘আমি মনে করি, ম্যাচের ফল নিয়ে আমাদের খুশি হওয়া উচিত এবং খেলোয়াড়দের নিযে গর্ব করা উচিত। আমি মনে করি, প্রথমার্ধে আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে কিছুটা সময়ক্ষেপণ করেছিলাম। তবে আমরা যেটা অর্জন করতে চেয়েছিলাম... বল পায়ে রেখে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খেলতে চেয়েছিলাম, সেটা অর্জন করতে পেরেছি।’
ড্র ম্যাচ থেকে অনেক কিছু নেওয়ার আছে বলে মনে করছেন কাবরেরা, ‘মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল একরকম, এখানে অন্যরকম। তবে খেলোয়াড়রা প্রমাণ করেছে তারা মানিয়ে নিতে শুরু করেছে। অবশ্যই জয় ছিল মূল লক্ষ্য, সেটা না পেলেও এ ম্যাচগুলো থেকে নেওয়ার মতো অনেক ইতিবাচক দিক আছে, যেগুলো সামনের পথচলায় পাথেয় হবে।’
মঙ্গোলিয়ার জাপানি কোচ ওতসুকা ইচিরো ড্র করে বেজায় খুশি। ২০০১ সালে সৌদি আরবের দাম্মাতে দুই দলের সবশেষ মুখোমুখিতে শেষ মুহূর্তের গোলে ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। এবার ২১ বছর পর খেলতে নেমে আবারও ড্র হলো।
ইচিরো মনে করছেন আরও একটি ইতিহাস হলো, “এবার নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছি আমরা। আমি এই ফলে খুশি। এই ড্র অনেকটা জয়ের মতোই বলবো। আমার অধীনে দ্বিতীয় ম্যাচে মঙ্গোলিয়া ‘পয়েন্ট’ পেলো। এটা আমার জন্য আনন্দের।”








