রাকিব হোসেন ও মানিক হোসেন মোল্লা দল ছেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম আবাহনী অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে। এই মৌসুমে দলটি কতটুকু কী করতে পারবে, তা নিয়ে ছিল সংশয়। বিশেষ করে, মৌসুমের শুরুতে স্বাধীনতা কাপের প্রথম ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্স নিয়ে অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন। তবে দেশের অন্যতম সেরা কোচ মারুফুল হক হতোদ্যম হননি। ধীরে ধীরে বন্দরনগরীর দলকে নিয়ে এসেছেন সম্মানজনক স্থানে।
মাঝারি মানের দল নিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের প্রথম পর্বে ১০ কোটি টাকার শেখ রাসেল ও পুলিশসহ অন্যদের বেশ পেছনে ফেলেছে চট্টগ্রামের দলটি। লিগের প্রথম পর্ব শেষে চট্টগ্রামের দলটি আছে চতুর্থ স্থানে। ১১ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে থাকা বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে পার্থক্য মাত্র ৫ পয়েন্টের! তাই ফিরতি পর্বে শিরোপার জন্য ঝাঁপাতেই পারে তারা।
উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্স প্রাপ্ত কোচ মারুফুলের লক্ষ্য সেটিই। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘আমি কোনও সময়ই আশাহত হইনি। শুরুতে দলটি একটু অগোছালো ছিল। তবে ধীরে ধীরে পুরো দলকে এক করে খেলোনো গেছে। এখন দলের যা অবস্থা তাতে করে আমরা শিরোপার জন্য লড়াই করতে পারি। কেননা ওপরের দলগুলোর সঙ্গে আমাদের পার্থক্য বেশি নয়। আমি আশাবাদী। তবে রেফারিং ভালো হতে হবে।’
চট্টগ্রাম আবাহনীকে মূলত টেনে নিচ্ছেন নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার পিটার থ্যাঙ্কগড। রবিনিয়ো-দোরিয়েল্তনের মতো উঁচুমানের ফরোয়ার্ডদের ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১৩ গোল তার নামের পাশে। এর মধ্যে দুটি হ্যাটট্রিকও রয়েছে।
এই স্ট্রাইকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ মারুফুলও, ‘থ্যাঙ্কগড বক্সে দারুণ খেলোয়াড়। ওর মাথা ও পা দুটোই বেশ চলে। দলের হয়ে গোল করছে। নিজেকে চেনাচ্ছে।’









