টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরির হাতছানি ছিল। যেভাবে খেলছিলেন তাতে মাইলফলকটা ছিল সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু ভাগ্য সহায় হলো না ইয়াসির আলীর। দুঃখজনক আউটে ফিফটি পূরণ করতে পারেননি তিনি।
আজ (রবিবার) পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টে তৃতীয় দিনে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়াদের ৪৫৩ রানে অলআউট করে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সফরকারীদের স্কোর ৬২ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৪ রান।
আগের দিন দক্ষিণ আফ্রিকার রান পাহাড়ে চাপা পড়ে হতাশাজনক ব্যাটিং ‘উপহার’ দেন মুমিনুল হকরা। ১২২ রান তুলতে হারায় ৫ উইকেট। ওই জায়গা থেকে প্রতিরোধ শুরু মুশফিক-ইয়াসিরের। ৫ উইকেটে ১৩৯ রান স্কোরে রেখে দ্বিতীয় দিন শেষ করে নামেন তৃতীয় দিনে। তাদের চমৎকার ব্যাটিংয়ে তৃতীয় দিনে দারুণ শুরুও পায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে, সকাল থেকে প্রোটিয়া বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন ইয়াসির। কিন্তু হাফসেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দূরে থাকতে আউট হয়ে যান তিনি।
এক বল আগেই স্পিনার কেশব মহারাজের বল পায়ে আঘাত করে ইয়াসিরের। জোরালো এলবিডব্লিউয়ের আবেদন তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডাররা। ফিল্ড আম্পায়ার তাতে সাড়া দেননি। মাত্র একটা রিভিউ থাকায় প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার দ্বিধায় ভুগছিলেন। শেষমেশ রিভিউয়ের সংকেত দিলেন। যদিও পক্ষে এলো না সেটি। তবে এক বল পরই ওই ইয়াসিরকেই ফেরালেন মহারাজ। এবার ভাগ্য তাদের পক্ষে। টোকা দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন ইয়াসির, কিন্তু বল উঠে গেলে প্রোটিয়া স্পিনার ফিরতি ক্যাচ নেন অনেকটা গায়ের সঙ্গে জড়িয়ে! ফেরার আগে ইয়াসির ৮৭ বলে খেলে যান ৪৬ রানের ইনিংস, যাতে ছিল ৭ চারের মার।
বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যায়নি পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা। বৃষ্টি থামার পর মাঠ খেলার উপযোগী করতে বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়। এরপর খেলা শুরু হলে মুশফিক-ইয়াসির মিলে বাংলাদেশের রান বাড়িয়ে নেন। ইয়াসির আউট হওয়ার আগে তাদের জুটি থেকে আসে ৭০ রান।









