এই তো গত মাসের ঘটনা। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্লে-অফে মিসরের বিপক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন সেনেগাল সমর্থকেরা। দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে গ্যালারি থেকে মেরেছেন লেজার রশ্মি, ছুড়ে মারেন বোতলও। একেবারে জন্ম নেয় অরাজক পরিস্থিতি।
নিজেদের মাঠে খেলা হওয়ায় পুরোপুরি অন্যায় করেছেন সেনেগালিজরা। সালাহরা বল পেলেই তাদের শরীরে মারা হয়েছে লেজার। এমনকি শুটআউটে লিভারপুল ফরোয়ার্ড যে পেনাল্টিটি মিস করেছেন, ঠিক তার আগ-মুহূর্তেও মুখে মারা হয় লেজার! সালাহরা রেফারির কাছে বিষয়টি জানালেও সাড়া মেলেনি। অবশেষে সেই ঘটনার শাস্তি পেতে হয়েছে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নদের। শাস্তি হিসেবে সেনেগালকে এক ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলতে হবে।
টাইব্রেকারে গড়ানো সেই ম্যাচটাতেই মিসরকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট কাটে সেনেগাল। ঘটনাবহুল সেই ম্যাচে বিক্ষিপ্ত অনেক ঘটনাই ঘটেছে। কিন্তু মাঠে অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে গ্যালারিতে অশালীন ব্যানার এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে না পারায় ১ লাখ ৭৫ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা করা হয়েছে তাদের।
এই সময়ে আরও বেশ কিছু বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচেও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। প্লে-অফে ঘানার কাছে হারের পর মাঠে অনুপ্রবেশ করেন নাইজেরিয়ান দর্শকেরা। ফলে তাদেরও একই রকম রুদ্ধ স্টেডিয়ামে এক ম্যাচ খেলার শাস্তি পেতে হয়েছে। জরিমানা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ। একই শাস্তি পেয়েছে কঙ্গো ও লেবাননও।









