বিশ্বকাপ ট্রফির আগমনকে ঘিরে সকাল থেকে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ছিল সাজ সাজ রব। কারণ ২০১৩ সালের পর ঢাকায় এসেছে বিশ্বকাপের আসল ট্রফি। তাই উৎসবের রং লেগেছিল বিমানবন্দর সড়কটায়।
বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ ছাড়াও বাফুফে কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে ট্রফিটি গ্রহণ করেছেন।
ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ধরে রাখতে ছবিও তুলেছেন কর্মকর্তারা। ট্রফি এরপর র্যাডিসন হোটেলের উদ্দেশে বেরিয়ে যায়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিমানবন্দরের বাইরে এসে সংবাদ মাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। তিনি জানান, এই ট্রফি দেশের কোচ ও খেলোয়াড়দের ভালো খেলতে উজ্জীবিত করবে, ‘একজন সংগঠক হিসেবে কষ্ট করে ট্রফিটি নিয়ে আসা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা তো খেলতে পারবো না, খেলবে কোচ ও খেলোয়াড়রা। এটা যেন খেলোয়াড়, কোচ ও ক্লাবদের উজ্জীবিত করে।’
বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি ক্রীড়াপ্রেমীদের প্রবল আগ্রহ। তবে সোনালী ট্রফিটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে না। কেন সেটি সম্ভব হচ্ছে না তার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন সালাউদ্দিন, ‘বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য ট্রফিটি আনা হয়েছে। কিন্তু হয়েছে কি আমরা জায়গা দিতে পারছি না। হাজার হাজার লোক দেখতে চাইছে। ফিফারও কিছু প্রটোকল আছে।’
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা প্রসঙ্গও এসেছে এদিন। ভিড়ের মধ্যে ভিআইপি গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে সালাউদ্দিন উত্তর দিয়েছেন এভাবে, ‘এটা কেউ বলতে পারবে না। এটা খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভর করে। আমরা চেষ্টা করতে পারি শুধু, কাজ করতে পারি। এটা নতুন ও পুরোনো খেলোয়াড়দের কাজ। এরজন্য আমরা সবাই মিলে কাজ করতে পারি।’
এসময় ফিফা মিডিয়া প্রতিনিধি সারা সালাউদ্দিনের পাশে দাঁড়িয়ে শুধু বলেছেন, ‘সবাইকে ধন্যবাদ উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য। আমরা জানি, বাংলাদেশ ফুটবল পাগল দেশ। আমরা আবারও আসতে পেরে খুশি। এটা বিশেষ কিছু আমাদের জন্য। আশা করছি, এখানে সবাই ট্রফিটি উপভোগ করবে।’








