দলে নেই প্রাণভোমরা ব্রাজিলিয়ান রবিনিয়ো। চোটের কারণে ছিটকে গেছেন। তারপরেও বসুন্ধরা কিংসের সামনে সাইফ স্পোর্টিং বড় কোনও বাধা হতে পারলো না। দুই ম্যাচ হাতে রেখেই প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা নিশ্চিত করেছে বসুন্ধরা কিংস। ১০ জনের দল নিয়েও সাইফকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা উল্লাস করেছে।
২০ ম্যাচে ১৬ জয়ে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে বসুন্ধরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। সমান ম্যাচে ষষ্ঠ হারে আগের ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানির দল।
আগে থেকেই জানা ছিল বসুন্ধরা কিংস জিতলেই ট্রফি ঘরে তুলবে। সোমবার বিকালে মুন্সিগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে এমন সমীকরণ সামনে রেখে ব্রুজনের দল গোলের সন্ধানে খেলতে থাকে।
অথচ শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেও গোল পায়নি সাইফ। ১৬ মিনিটে বেইসেঙ্গের ফ্রি-কিক মানব দেওয়ালে বাধাপ্রাপ্ত হলে মেরাজের ডান পায়ের জোরালো শট গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ফিরতি বলে এমফন উদোহর কোনাকুনি শট ফিরিয়ে দলের ত্রাতা হয়ে যান জিকো।
শেষ পর্যন্ত মতিন মিয়ার দুর্দান্ত গোলে বসুন্ধরা এগিয়ে যায় ২৮ মিনিটে। মিগেল ফিগেইরার ডানপ্রান্তের ক্রসে দু্ই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে দূরের পোস্টে বল জড়িয়ে দেন মতিন।
খেলার ধারায় ৩৭ মিনিটে দুঃসংবাদ পায় বসুন্ধরা। পরিণত হয় ১০ জনের দলে। মধ্যমাঠে রহিমউদ্দিনকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার ইয়াসিন আরাফাত। কিন্তু সাইফ বিরতির পর বসুন্ধরাকে কিছুটা চেপে ধরেও সমতা ফেরাতে পারেনি।
৭৫ মিনিটে কাওসার আলী রাব্বীর পাসে মেরাজ হোসেনের বুলেট গতির শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন গোলকিপার জিকো। দুই মিনিট পর মেরাজের শট আবারও প্রতিহত করেন গোলকিপার।
বিপরীতে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে ৮১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় বসুন্ধরা। নুহা মারং বল নিয়ে বক্সে ঢোকার মুহূর্তে ট্যাকলে পড়ে যান। সেখান থেকে বদলি বিপলু আহমেদ জায়গা করে নিয়ে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে জাল কাঁপান।
৮৮ মিনিটে বেইসেঙ্গের ফ্রি-কিক জিকো প্রতিহত করলে সাইফ আর ফেরার সুযোগই পায়নি। বরং রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই প্রিমিয়ার লিগে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে কিংস।









