২০১৯ সালে সবশেষ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে খেলেছে বাংলাদেশ। নেপালের বিরাটনগরের সেই টুর্নামেন্টে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল সাবিনা খাতুনদের। এবার কাঠমান্ডুতে আরও একটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হতে যাচ্ছে। ষষ্ঠ আসরে শুরু থেকে ইতিবাচক খেলতে চাইছে বাংলাদেশ।
‘এ’ গ্রুপে মালদ্বীপ ম্যাচ দিয়ে সাবিনাদের সাফ অভিযান শুরু হবে বুধবার। বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ছাড়াও একই গ্রুপে আছে পাকিস্তান ও ভারত।
গত তিন বছরে অনেক পাল্টে গেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল, এমনটাই দাবি বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনার। আজ (সোমবার) কাঠমান্ডুতে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তিগত ষষ্ঠ সাফে খেলতে নামা সাবিনা বলেছেন, ‘আমরা তাদের (ভারত-নেপাল) শ্রদ্ধা করি। তাদের অবস্থানটাও আমরা বুঝি, কিন্তু ২০১৯ সালের দৃশ্যপটটা বাংলাদেশের ফুটবল থেকে উঠে যাবে।’
ধাপে ধাপে ম্যাচ জিতে ফাইনাল খেলার লক্ষ্যের কথা আবারও বলেছেন বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। ২০১৯ সাফের দলে অধিকাংশ ফুটবলারই ছিলেন বয়সভিত্তিক দলের ফুটবলার। মারিয়া মান্দা-মনিকা চাকমারা বয়সভিত্তিক লেভেলে খেলে এখন জাতীয় দলে অনেকটাই পরিপক্ক। বাংলাদেশ কোচ বলেছেন, ‘তখন মেয়েদের শারীরিক সামর্থ্য ছিল অনূর্ধ্ব-১৭ মেয়েদের মতো। এই মেয়েরা এখন শারীরিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিরাটনগর সাফ থেকে এই সাফে অবশ্যই উন্নতি দেখা যাবে।’
ফাইনালে যেতে ভারত-নেপালের বড় বাধা পেরোতে হবে। যা কখনও পারেনি বাংলাদেশ। তবে এবার নতুন আশায় বুক বাঁধছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।









