কে বলবে, এই লিভারপুল আগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল লিভারপুল। গত আগস্টে এএফসি বোর্নমাউথকে ৯-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নবজাগরণ হয়েছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের দলের। এবার সেই দলটির মাঠেই হেরে গেলো! তাও আবার ফর্মের তুঙ্গে থাকা ম্যানইউকে হারানোর তিনদিন পরেই।
ফেভারিট হিসেবেই বোর্নমাউথের মুখোমুখি হয়েছিল লিভারপুল। কারণ তাদের প্রতিপক্ষ প্রিমিয়ার লিগের সবার শেষ দল। তাছাড়া এই বোর্নমাউথ লিগে শেষ ১১ বারের দেখায় লিভারপুলকে একবারই হারাতে পেরেছিল। আরেকটি পরিসংখ্যান তো বলছিল, অলরেডরা আরেকটি উড়ন্ত জয় পেতে যাচ্ছে। গত সাতটি ম্যাচেই বোর্নমাউথকে হারায় ক্লপের দল, সব মিলিয়ে গোল করেছিল ২৮টি। সেই দলের কাছেই শনিবার ১-০ গোলে বিব্রতকর পরাজয় বরণ করতে হলো লিভারপুলকে।
একের পর এক লক্ষ্যে শট নিয়েও গোলের দেখা পায়নি লিভারপুল। ৫ মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর শট সহজে রুখে দেন নেতো। পরের মিনিটে গোললাইন থেকে ভার্জিল ফন ডাইকের হেড প্রতিহত করেন লার্মা। ১৩ মিনিটে গাকপো জাল কাঁপালেও অফসাইডে গোল বাতিল হয়।
এত সুযোগ নষ্টের খেসারত দেয় লিভারপুল আধঘণ্টা না হতেই। ২৮ মিনিটে বিলিংয়ের গোলে পিছিয়ে পড়ে তারা। বিরতির চার মিনিট আগে ফন ডাইকের শট গোলবারের পাশ দিয়ে গেলে আরেকটি সুযোগ হারায় লিভারপুল।
দ্বিতীয়ার্ধে নেতো দূরের পোস্টে নেওয়া জোতার বাঁকানো শট সেভ করেন। ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় লিভারপুল। নেতো ভুলদিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায় সালাহর শট। ম্যাচ শেষেও আর গোলের দেখা পায়নি লিভারপুল।
তাতে সেরা চারে ওঠার মিশনে বড় ধাক্কা খেলো লিভারপুল। ২৬ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তারা পাঁচেই থাকলো। তিন পয়েন্টে এগিয়ে থেকে চতুর্থ স্থানে টটেনহ্যাম হটস্পার (৪৫)। বোর্নমাউথ ২০ থেকে এক লাফে উঠে গেছে ১৬ নম্বরে। এখন তারা অবনমনের শঙ্কা অনেকটাই কাটিয়ে উঠলো।









