আক্রমণভাগের একজন খেলোয়াড় হিসেবে সবসময় গোল করার তীব্র বাসনা কাজ করে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মনে। না পারলে হতাশা কাজ করে। তার সঙ্গে দলও যদি প্রত্যাশিত ফল না পায়, সেটা ক্ষোভে পরিণত হয়। আল নাসরের জার্সিতে তাই পর্তুগিজ উইঙ্গারের বিতর্কিত আচরণের দেখা মিলছে হরহামেশাই।
সোমবার সৌদি প্রো লিগে আল খালিজের সঙ্গে ১-১ গোলে আল নাসরের ড্রয়ের পর রোনালদোর হতাশার কোপ পড়লো প্রতিপক্ষ দলের ব্যাকরুম স্টাফের ওপর। ম্যাচ শেষে ফুটবলের মহাতারকার সঙ্গে একটা সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন আল খালিজ ফুটবল দলের ওই সদস্য। কাছেই ঘেষতে দেননি ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। জোরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন তাকে।
এই ম্যাচে রোনালদো একটি গোল করেন। ৫৯তম মিনিটে তার ওই গোলে জিততে পারতো আল নাসর, কিন্তু অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। চার মিনিটে ফ্যাবিও মার্টিনসের গোলে পিছিয়ে পড়েছিল আল নাসর। ১৭ মিনিটে আলভারো গঞ্জালেসের গোলে সমতা ফেরায় তারা। আর গোল হয়নি।
আল খালিজের সঙ্গে ড্র করায় লিগ শিরোপা জেতার আশায় বড় ধাক্কা খেলো তার দল। শীর্ষে থাকা আল ইত্তিহাদ পরের ম্যাচটি জিতে পয়েন্টের ব্যবধান পাঁচে বাড়িয়ে নিয়েছে।
এর আগে গত মাসে আল রাইদের বিপক্ষে ৪-০ তে জয়ের ম্যাচে প্রথম গোল করেছিলেন রোনালদো। যদিও একটি পেনাল্টির দাবি করে প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় ক্ষুব্ধ আচরণ করেন তিনি। তার আগে কিংস কাপের সেমিফাইনালে হারের ম্যাচে হাফ টাইমে নিজ দলের কোচিং স্টাফদের ওপর ক্ষোভ ঝারেন তিনি। এছাড়া আল হিলালের বিপক্ষে লিগ ম্যাচে ডব্লিউডব্লিউই স্টাইলে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ফাউল করে কেবল হলুদ কার্ডে পার পেয়ে যান তিনি। ম্যাচ শেষে দর্শকদের মুখে মেসি মেসি স্লোগান শুনে অশালীন অঙ্গভঙ্গিও করেন।
প্রায় প্রতি ম্যাচেই নানা কারণে বিতর্কিত হচ্ছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। এছাড়া মাঠের বাইরে বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজের কাণ্ডও নিন্দুকের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।









