এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত শিরোপাবিহীন আবাহনী লিমিটেড। স্বাধীনতা কাপে সেমিফাইনাল থেকে বিদায়। প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে শিরোপা স্বপ্ন বেশ ফিকে হয়ে গেছে। বাকি রইলো ফেডারেশন কাপ। আগামীকাল মঙ্গলবার সেমিফাইনালে শেখ রাসেলকে হারাতে পারলেই ট্রফি ছোঁয়া দূরত্বে থাকবে দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী দলটি। এর জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে মারিও লেমসের শিষ্যরা। কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে বিকাল সোয়া ৩টায় হবে ম্যাচটি, সরাসরি দেখাবে টি স্পোর্টস।
অনেক দিন পর দেশের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই হওয়ার আভাস মিলেছে। ক্রীড়ামোদীদের অনেকেই তা চাইছেন। আবাহনীর পর্তুগিজ কোচও চাইছেন ফাইনালে উঠে মোহামেডানের মুখোমুখি হতে। এমনিতে ফেডারেশন কাপের বর্তমান ট্রফি আবাহনীর ঘরে। তার ওপর টুর্নামেন্টে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১২ বারের শিরোপাধারী আকাশি-নীল জার্সিধারীরা।
এমন অভিজ্ঞতার ঝুলি নিয়ে শেখ রাসেলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আবাহনী। লেমস যেমন বলেছেন, ‘আমরা সেমিফাইনালে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত আছি। সবাই যার যার জায়গা থেকে নিজেদের খেলাটা খেলতে পারলে জয় আসবেই। এছাড়া অনেক দিন পর মোহামেডানও ফাইনালে উঠেছে। আমরাও চাই তাদের বিপক্ষে ফাইনালে খেলতে।’
তবে লেমস যতই বলুক না কেন, ম্যাচ যে কঠিন হতে যাচ্ছে তা পরিসংখ্যানই বলছে। এই মৌসুমে তিন বার শেখ রাসেলের বিপক্ষে মুখোমুখি হয়েছে আবাহনী। স্বাধীনতা কাপে সেমিফাইনালে প্রথম খেলেই হারতে হয়েছিল। প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ড্র হয়েছিল। আর ফেডারেশন কাপে গ্রুপ পর্বে আবাহনী টাইব্রেকারে ম্যাচ জিতেছিল।
এছাড়া আবাহনী লিগে সবশেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছে হেরে কিছুটা চাপে রয়েছে।
যদিও পর্তুগিজ কোচ অন্য কথা বলছেন, ‘সেই ম্যাচে নিয়মিত একাদশের কয়েকজন খেলোয়াড় খেলেনি। তাদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল ফেডারেশন কাপের ম্যাচের জন্য। আগামীকাল আমরা পূর্ণ শক্তি নিয়েই মাঠে নামবো। আশা করছি ম্যাচ জিতেই সমর্থকদের খুশি রাখতে পারবো।’
রাফায়েল অগাস্তো-দানিয়েল কলিনদ্রেস-ওগবাহ-কিংসলেদের নিয়েই আবাহনী মাঠে নামার পণ করেছে। তবে শেখ রাসেলও কম নয়। কুমিল্লার মাঠে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে চাইছে জুলফিকার মাহমুদ মিন্টুর দল।
এখন দেখার, ৩০ মে মোহামেডানের বিপক্ষে ফাইনালে কে মুখোমুখি হবে, আবাহনী না শেখ রাসেল?









