হোসে মরিনহো যে ক্লাবেই পা রাখেন, বদলে যায় চেহারা। এএস রোমাও ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায়। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় লেগে বায়ার লেভারকুসেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে দুই লেগের অগ্রগামিতায় ১-০ গোলে ইউরোপা লিগের ফাইনালে ইতালিয়ান ক্লাব। পর্তুগিজ কোচের অধীনে গত বছর ইউরোপা কনফারেন্স লিগ জেতার পর টানা দ্বিতীয় ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার ফাইনালে তারা। আগামী ৩১ মে বুদাপেস্টে সেভিয়ার মুখোমুখি হবে রোমা, জিতলে ক্লাবের সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেবেন মরিনহো। কিন্তু সেই ভাবনায় বুঁদ হয়ে নেই তিনি।
২০১৭ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে ইউরোপের দ্বিতীয় সারির এই প্রতিযোগিতায় সবশেষ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন মরিনহো। ৬০ বছর বয়সী কোচ রোমায় যোগ দেওয়ার পর নতুন প্রতিযোগিতা কনফারেন্স লিগ জেতান, আর এবার ইউরোপা লিগ জয়ের হাতছানি তার সামনে।
ম্যাচ শেষে মরিনহো স্কাই স্পোর্টকে বলেন, ‘রোমার ইতিহাসের বইয়ে আমার জায়গা করে নেওয়ার চিন্তা নেই। এটা ছেলেদের (খেলোয়াড়) বেড়ে উঠতে সহায়তা করছে, গুরুত্বপূর্ণ কিছু অর্জন করতে। এটা রোমা ভক্তদেরও সহায়তা করছে, যারা প্রথম দিন থেকে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। আরেকটি ফাইনালে উঠতে পারা বিশাল আনন্দের।’
২০১০ সালে আরেক ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলানকে ট্রেবল জেতানো মরিনহো বললেন, ‘এই ছেলেরা সবকিছু দেয়। আমাদের কাজ, অভিজ্ঞতা ও ট্যাকটিকাল জ্ঞানের ফসল এই ম্যাচ। ম্যাচে কীভাবে নিজেদের ধরে রাখতে হয় সেটাও জানি আমরা। এটা অবিশ্বাস্য দল।’
ইউরোপা লিগে পথচলায় ভক্তদের ব্যতিক্রমী সমর্থনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রোমা কোচ, ‘আমি জানি না, ভক্তদের কাছ থেকে আর বেশি কিছু চাওয়ার আছে কি না।’
রোমা অধিনায়ক লরেঞ্জো পেল্লেগ্রিনি সব কৃতিত্ব দিলেন মরিনহোকে, ‘তিনি আলাদা। তিনি আপনাকে ম্যাচের গুরুত্ব বুঝিয়ে দেবেন। আমরা যে এখানে এসেছি, প্রত্যেকে জানতো কী করতে হবে। আমরা নিজেদের গোছালো রাখি, ভিডিও দেখি। বিশেষ করে ইউরোপে, আপনি দেখতে পাবেন কোচ আমাদের জন্য কী এনেছেন। মরিনহো আমাদের মধ্যে এই ব্যক্তিত্ব তৈরি করে দিয়েছেন।’









