প্রথমবারের মতো মোহামেডানের হেড কোচের দায়িত্ব নিয়েই দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন আলফাজ আহমেদ। কুমিল্লা স্টেডিয়ামের ফেডারেশন কাপের ফাইনালকে সমর্থকরা অন্যভাবে মনে রাখবে। চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ আলফাজের অনুভূতিও অন্যরকম।
ম্যাচ শেষে নির্ভার মনে হচ্ছিল তাকে। টাইব্রেকারে কামরুল ইসলামের গোলের পরই যেন উৎসব শুরু। পরতে পরতে উত্তেজনার ম্যাচ জিতে আলফাজ ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘আজকে মোহামেডানের খেলাটা আমার কাছে মনে হয়েছে বিশাল একটা ফুটবল ম্যাচ। যেভাবে ব্যাকফুটে থেকে সমতায় ফেরা, এগিয়ে যাওয়া, আবার সমতা ফেরা, আবার লিড নেওয়া, সমতা ফেরা, টাইব্রেকারে যাওয়া, আসলে সব মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছিল না ম্যাচটা কে জিতবে। আমার মনে হয়, খেলোয়াড়রা যে কমিটেড ছিল, সুলেমানে দিয়াবাতের পারফরম্যান্স অসাধারণ, মুজাফ্ফরভের হাত ভেঙে গেলেও সে দলের জন্য খেলেছে, আসলে এই খেলার প্রশংসার দাবিদার খেলোয়াড়রা।’
আজকের ফাইনাল ম্যাচকে আলফাজ নিজের খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের খেলা অন্য ম্যাচগুলোর চেয়ে এগিয়ে রাখছেন, ‘এর আগেও আবাহনীর বিপক্ষে এমন ফাইনাল মোহামেডান খেলেছে, আমি নিজেও সেই ম্যাচে খেলেছি, কিন্তু আমি সেই ম্যাচটাকে এগিয়ে রাখবো না। বাংলাদেশের ফুটবলে মোহামেডান আবাহনীর লড়াই… এই ম্যাচে শুধু মোহামেডানের জয় হয়নি, জয় হয়েছে বাংলাদেশের ফুটবলের। অবশ্যই এটা আমার জীবনের স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হলাম।’
২-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর ড্রেসিংরুমে শিষ্যদর নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়তে বলেছিলেন আলফাজ, ‘বিরতির সময় ড্রেসিংরুমে ছেলেদের বলেছি তোমরা মাথা ঠাণ্ডা রেখে খেলো। ফরমেশনে পরিবর্তন এনেছিলাম। তারা সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে। প্লেয়ার বদলই আমি মনে করি পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। এই ট্রফির মাধ্যমে মোহামেডান এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।’
এদিকে ফাইনালে ম্যাচ সেরা ও সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়ে দিয়াবাতে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেছেন, ‘এই ম্যাচটা কঠিন ছিল। কঠিন ম্যাচ আমরা জিতেছি। আমি অনেক খুশি। আল্লাহকে ধন্যবাদ।’








