কদিন আগে কার্লো আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে থাকবেন। এই মৌসুমে ইতালিয়ান কোচ প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও তাকে রেখে দেওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছে মাদ্রিদ ক্লাব। কিন্তু তাকে নিয়ে এখনও আশা ছাড়ছে না ব্রাজিল।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) প্রেসিডেন্ট এডনাল্ডো রদ্রিগেজ বললেন, তিতের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে এখনও আনচেলত্তিই তাদের প্রথম পছন্দ। অথচ রিয়াল কোচ জোর গলায় বলেছেন, চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মাদ্রিদে থেকে যাবেন।
রদ্রিগেজ বলেছেন, ‘তিনি (আনচেলত্তি) এমন একজন কোচ, যার নতুন প্রতিভাকে খেলানোর দর্শন ও সাহস আছে। অন্য কোচদের অসম্মান করছি না, ব্রাজিলে অনেক কোচই প্রশংসনীয় এবং তারা যোগ্য। কিন্তু আমাদের একটা পরিকল্পনা আছে এবং প্ল্যান এ তিনিই (আনচেলত্তি)।’
রদ্রিগেজের বিশ্বাস, তিনি আনচেলত্তিকে জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে রাজি করাতে পারবেন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের প্রধান বলেন, ‘এটা কাজ করবে বলে আমাদের মনে হচ্ছে। প্রতিযোগিতার (লা লিগা) শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করি, যদিও বার্সেলোনা এরই মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা প্রতিযোগিতার শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করবো এবং আমাদের মন বলছে, এটা কাজ করবে।’
এই মৌসুমে রিয়ালকে কেবল কোপা দেল রে জেতাতে পেরেছেন আনচেলত্তি। লা লিগায় বার্সার কাছে শিরোপা হারায় মাদ্রিদ ক্লাব এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে বিদায় নিয়েছে সেমিফাইনালে ম্যানসিটির কাছে হেরে। তারপরও তাকে আরেকবার সুযোগ দিতে চায় ১৪ বারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত, মানছেন রদ্রিগেজ। কিন্তু তবুও আনচেলত্তিই তার প্রথম চাওয়া।
বার্নাব্যুতে আনচেলত্তির অধীনে খেলছেন ব্রাজিলের আক্রমণভাগের দুই তারকা রদ্রিগো ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। জাতীয় দলে এলে দুই পক্ষে বোঝাপড়া কাজে দেবে মনে করেন রদ্রিগেজ। সিবিএফ প্রেসিডেন্ট বললেন, ‘আমি তার জায়গায় থাকলে চুক্তি পরিস্থিতি অনুযায়ী আমিও কোম্পানিকে খাটো করতাম না। আমি মনে করি ব্রাজিলিয়ান জাতীয় দলের জন্য তার একটা টান আছে, তিনি অধিকাংশ খেলোয়াড়কে চেনেন যারা খেলেছে এবং এমনকি যারা ব্রাজিলিয়ান জাতীয় দলের সঙ্গে এখন খেলছেন, তাদেরও।’
আগামী জুনের মাঝামাঝি দুই আফ্রিকান দেশ গিনি ও সেনেগালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এই দুটি ম্যাচেও ডাগআউটে থাকবেন অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ র্যামন মেনেজেস। এরই মধ্যে দল ঘোষণা করেছেন তিনি। রদ্রিগেজের আশা, এই দুটি ম্যাচের পরই নতুন কোচ খুঁজে পাবেন তারা এবং সেখানে আনচেলত্তিকেই চায় তারা।









