ইসরায়েলের জাতীয় দলও যা পারেনি সেটাই করে দেখালো তাদের বয়স ভিত্তিক দল। মূল দলটি সর্বশেষ বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলেছে ১৯৭০ সালে। তার পর বিদায় নিয়েছে গ্রুপ পর্বেই। সেই জায়গায় অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে অভিষেকে খেলতে নেমেই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইসরায়েলের ছোটরা। কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী ব্রাজিলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে। যা তাদের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় জয়ের ঘটনা।
টুর্নামেন্টের ৫ বারের জয়ী ব্রাজিলকে নিয়ে এবারও প্রত্যাশা করেছিলেন অনেকে। সেই জায়গায় ইসরায়েলি ঝলকে তাদের অপ্রত্যাশিত হার দেখতে হয়েছে। দুইবার পিছিয়ে পড়েও ইসরায়েল ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে কিংবা যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রাজিলের বিসেন্তেনারিও স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। টুর্নামেন্টের ৫বারের জয়ী সেলেসাওরা ডেড লক ভাঙে ৫৬ মিনিটে। গোল করেন মার্কোস লিওনারদোস। ৬০ মিনিটে সমতায় ফেরে ইসরায়েলিরা। গোল করেন আনান খালাইলি। তার পর সব নাটক জমে ছিল অতিরিক্ত সময়েই। শুরুতে ইসরায়েলকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল মাথিয়াস নাসিমেন্তোর গোল। তখনও বোঝার উপায় ছিল না অতিরিক্ত সময়ে ইসরায়েল কী করতে যাচ্ছে। তার পর দুটি গোল করে ৩-২ গোলের জয় নিশ্চিত করে তারা। একটি করে গোল করেছেন হামজা শিবিলি ও টার্গম্যান।









