প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে দুইশতম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে জাঁকালো অভ্যর্থনা পেলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফুলের বড় তোড়ার সঙ্গে গিনেজ বিশ্ব রেকর্ডের সার্টিফিকেট। এমন আবেগঘন দিনে মাইলফলকের ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখার সুযোগ হারাননি ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে জয়ের নায়ক তিনি। আর এই জয়ের স্বাদ তার কাছে একেবারেই আলাদা, ‘এই জয়ের স্বাদ একেবারেই আলাদা। জয়সূচক গোল করেছিল বলে নয়, কারণ পর্তুগালের জাতীয় দলের জার্সিতে এটা আমার দুইশতম ম্যাচ।’
কাতার বিশ্বকাপে ফার্নান্দো সান্তোসের রোষানলে পড়েছিলেন রোনালদো। আরেকবার পর্তুগালের জার্সিতে তাকে দেখা নিয়ে শঙ্কা জেগেছিল। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়ে ইউরো বাছাইয়ে তাকে ফেরান নতুন কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। লিচটেনস্টেইনের বিপক্ষে হন সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা পুরুষ ফুটবলার। ওই ম্যাচে তো বটেই, লুক্সেমবার্গের বিপক্ষেও করেন জোড়া গোল।
তবে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ৩-০ তে জয়ের ম্যাচে রোনালদোর গোলখরা অনেককে ব্যথিত করেছিল। তিন দিন বাদেই ভক্তদের উচ্ছ্বাসে মাতালেন সিআরসেভেন। ৮৯তম মিনিটে গনসালোর হেড পাসে গোলকিপারের পাশ দিয়ে জাল কাঁপান। ১-০ গোলে ‘জে’ গ্রুপে টানা চতুর্থ ম্যাচ জেতে পর্তুগিজরা।
ম্যাচ শেষে রোনালদো তার অর্জন নিয়ে উয়েফাকে বলেছেন, ‘আমার জন্য এটা অবিশ্বাস্য প্রাপ্তি, চমৎকার। এবং অবশ্যই, জয়সূচক গোল করতে পারায় এটা আরও বিশেষ কিছু।’
১২৩তম আন্তর্জাতিক গোল করা এই ফরোয়ার্ড আরও যোগ করেন, ‘আমরা খুব ভালো খেলিনি। কিন্তু মাঝেমধ্যে ফুটবল এমনই। কিন্তু আমরা একটা গোল করলাম এবং আমার মতে এটা আমাদের প্রাপ্য। আমি ২০০তম ম্যাচ খেলে অনেক খুশি, কিন্তু এটা আরও বেশি বিশেষ কিছু।’









