সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এই একই দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলতে হবে জামাল ভূঁইয়াদের। এরই মাঝে আবার দুই দেশের ক্লাবেরও লড়াই। এএফসি কাপের প্লে অফে আবাহনী লিমিটেড লড়বে সেদেশের ক্লাব ঈগলসের বিপক্ষে। তবে জাতীয় দলের খেলার ফল ক্লাব দলে পড়বে না মনে করেন ঈগলস কোচ মোহাম্মদ শিয়াজ।
মালদ্বীপের অন্যতম সেরা ক্লাব ঈগলস। ৩৪ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ক্লাবটি মালদ্বীপ লিগে দুইবারের রানার্সআপ। ২০২১ সালে এএফসি কাপে অভিষেক। তবে প্লে অফ বাধা পেরোতে পারেনি। ভারতের বেঙ্গালুরুর কাছে হেরে গ্রুপ পর্বে খেলার স্বপ্ন ধূলিস্মাৎ হয়।
এবার ঈগলস কোমর বেঁধে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে খেলতে আসছে। মালদ্বীপ জাতীয় দল বাংলাদেশের কাছে হেরেছে। তাতে কী! ক্লাব পর্যায়ে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিয়ে রেখেছেন মোহাম্মদ শিয়াজ। মালে থেকে হোয়াটসআপ বার্তায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমার মনে হয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের কাছে মালদ্বীপ হেরেছে, সেই ফলের প্রভাব এএফসি কাপে পড়বে না। কেন না ক্লাব লেভেলের খেলা একদম অন্যরকম হয়ে থাকে। বরং ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।’
প্রতিপক্ষ আবাহনী এএফসি কাপের জোনাল সেমিফাইনালে খেলেছে। গ্রুপ পর্বে একাধিকবার খেলার অভিজ্ঞতা। তবে এই মুহূর্তে আকাশি-নীল জার্সিধারীদের সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই ৪৯ বছর বয়সী কোচের। তবে বাংলাদেশের লিগ যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ তা বললেন অকপটে, ‘সত্যি বলতে কী, আবাহনী লিমিটেড সম্পর্কে আমার বিস্তারিত জানা নেই। তবে প্রতিপক্ষকে অনেক সম্মান করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ লিগ ভালো বলতে হবে, যদি আগের কয়েক বছরের সঙ্গে তুলনা করতে যাই। এছাড়া আমাদের মালদ্বীপের চেয়ে বাংলাদেশের লিগ এগিয়ে আছে। ভালো অবস্থানে রয়েছে। এখানে দলগুলো অনেক অর্থ ব্যয় করে থাকে।’
১৬ আগস্ট সিলেটের ম্যাচটি যে সহজ হবে না তা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন এএফসি প্রো লাইসেন্সধারী কোচ, ‘বাংলাদেশে খেলাটা সহজ হবে না। অবশ্যই কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমরা জয়ের জন্য খেলবো ইনশাল্লাহ। এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি।’
তবে খেলার কিছু দিন আগেই ঈগলস পিছিয়ে। আবাহনী ৬ বিদেশি নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে। বিপরীতে মালদ্বীপের দলটিতে বর্তমানে মাত্র দুজন বিদেশি খেলোয়াড়, মিশরের।! তবে বিদেশি খেলোয়াড়রা যে ম্যাচের ফল পরিবর্তন করে দিতে পারে তা মেনে নিয়ে শিয়াজ বলেছেন, ‘বিদেশি খেলোয়াড় কজন খেলতে পারে তা বলা কঠিন। দলে দুই বিদেশি রয়েছে। এখনও জানি না কজন নিয়ে যেতে পারবো বাংলাদেশে। আমার মনে হয় বিদেশিরা ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। যদি তারা স্থানীয় খেলোয়াড়দের চেয়ে মানের দিক দিয়ে এগিয়ে থাকে।’









