এই তো বেশ কিছু দিন আগেও জাতীয় নারী ফুটবল দলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল গোলাম রব্বানী ছোটনের। এখন পথ আলাদা হয়ে গেছে। তবে একসময়ের শিষ্যদের খোঁজ খবর ঠিকই রাখেন। খেলা হলে নিয়মিত দেখেন, সেটা হোক মাঠে কিংবা গ্যালারিতে বসে। সাফ অনূর্ধ্ব১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফাইনালেও চোখ থাকবে বর্তমানে সেনাবাহিনীর নারী দলের কোচের। তার দৃষ্টিতে কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ট্রফি জয়ের মিশনে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ফেভারিট।
২০২১ সালে এই টুর্নামেন্টে ভারতকেই হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ, কোচ ছিলেন ছোটন। আজকের ফাইনালের আগে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বললেন, ‘বাংলাদেশ নিজের মাঠে খেলবে। দলে রয়েছে সিনিয়র দলের পাঁচ খেলোয়াড়। লিগ পর্বে জিতেছে। তাই আজ ফাইনালে না জেতার কোনও কারণ দেখছি না আমি।’
অবশ্য সাবধানী মন্তব্য করতে ভুল করেননি এই অভিজ্ঞ কোচ, ‘যদিও ভারত সমমানের শক্তিশালী দল। এই অঞ্চলে অনেক দিন ধরে ভালো করে আসছে। ভারতের ফরোয়ার্ড জোন বেশ শক্তিশালী। যে কোনও সময় রক্ষণ তছনছ করে দিতে পারে। তাই আফঈদাসহ অন্যদের সতর্ক থাকতে হবে। ওরা যদি আগে গোল করে বসে, তাহলে বিপদ হতে পারে। আশা করি স্বাগতিকরা ভালো করবে।’
এজন্য বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডদেরও সচেতন হতে হবে বলে জানালেন ছোটন, ‘সুযোগ পেলেই গোল করতে হবে। সাগরিকাসহ অন্যদের আজ বেশি দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমরা চাই না বাংলাদেশ নিজেদের মাঠে শিরোপা হাতছাড়া করুক। মাঠে দর্শকও বেশি থাকবে। তাদের অনুপ্রেরণায় ট্রফি নিয়ে আবারও উৎসব করুক বাংলাদেশ, এটাই চাই। এছাড়া কোচ টিটুর প্রথম ফাইনাল। তার জন্য সাফল্যটা প্রয়োজন।’
কমলাপুরের মাঠে সন্ধ্যা ৬টায় মুখোমুখি হবে দুই দল। নিশ্চয়ই কোচ টিটু ও সাগরিকা-আফঈদাসহ অন্যরা ট্রফি নিয়ে আনন্দ করার সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইবেন না!








