২০২৩ সাল হাভিয়ের কাবরেরার জন্য ছিল পয়মন্ত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা বিশ্বকাপ বাছাইয়ে লেবাননের বিপক্ষে ম্যাচের ফল ছিল অনুকূলে। এবার ২০২৪ সালে প্রথমবার বাংলাদেশ দল মাঠে নামতে যাচ্ছে, তাও আবার ৮৬ ধাপ এগিয়ে থাকা ফিলিস্তিনের বিপক্ষে। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী, কোনও সংশয় নেই। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির বিপক্ষে কীভাবে লড়বেন জামালরা, তা এতদিনের অনুশীলনে দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কুয়েতের মাঠে সেটা দেখানোর দায়িত্ব জামাল-হৃদয়দের। কাবরেরাও তাই শিষ্যদের অনুশীলনের পারফরম্যান্স দেখে খুশি। এখন মাঠে নামার অপেক্ষা।
কাবরেরার দলে ২৮ জন খেলোয়াড় রয়েছেন। এর মধ্যে মিডফিল্ডার সোহেল রানা কার্ড সমস্যার কারণে কাল খেলতে পারবেন না। বাকি ২৭ জন থেকে চার জনকে বাদ দিয়ে দল চূড়ান্ত করতে হবে। তাও হয়তো এতক্ষণে চূড়ান্ত করে ফেলেছেন স্প্যানিশ কোচ। তাই আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে কাবরেরা বলেছেন,‘দলের সবাই ভীষণ ইতিবাচক। সৌদিতে দুই সপ্তাহের বেশি সময় আগে অনুশীলন শুরু করেছিলাম। সেখানে ১১টির মতো সেশন করেছি এবং দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। কুয়েতে এসে ইতিমধ্যে দুটি সেশন কাটিয়েছি। আরেকটি আজকে রাতে ম্যাচ ভেন্যুতে আছে। অবশ্যই অনুশীলনের সময় নিয়ে আমাদের কোনও অনুযোগ নেই। আমাদের হাতে ২৮ জন খেলোয়াড় আছে, যারা শতভাগ প্রস্তুত। আমি আত্মবিশ্বাসী এবং ছেলেরা একটা ইতিবাচক ফলাফলের জন্য লড়াইয়ের ব্যাপারে শতভাগ প্রস্তুত।’
ফিলিস্তিনের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ভয় জাগানো। কাতারের এশিয়ান কাপে কেমন খেলেছে সবাই জানে। কাবরেরাও সেদিকে দৃষ্টি রেখেছিলেন ভালোই, ‘সর্বশেষ এশিয়ান কাপে ফিলিস্তিন ফর্মের শিখরে ছিল। মানসিক দিক থেকে তারা অনেক লড়াকু। বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে তারা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে লড়াই করে ১-০ তে হেরেছিল। এশিয়ান কাপে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকংয়ের সঙ্গে দারুণ ম্যাচ খেলেছে। কাতার, যারা এশিয়ান কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, তাদের সঙ্গে শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করেছে। শারীরিক দিক থেকেও তারা শীর্ষ পর্যায়ে আছে। তবে আমরা এই ব্যাবধানগুলো ঘোচাতে প্রস্তুত। আশা করছি দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূণ একটা ম্যাচ হবে কাল।’









