গত জুনে ইডেন হ্যাজার্ডের অবসরের পর ফিলিপ কোর্তোয়া অভিমান করে ইউরো বাছাইয়ের ট্রেনিং ক্যাম্প ছেড়ে যান। কারণ তাকে অধিনায়ক করা হয়নি। এই গোলকিপারকে ছাড়াই ইউরোর স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বেলজিয়াম।
ওই ঘটনার পর কোচের সঙ্গে কোর্তোয়ার ঝামেলার খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩২ বছর বয়সী ফুটবলার সতীর্থদের কাছে সমালোচিতও হন। তারপর অবশ্য অনুশোচনা প্রকাশ করেন তিনি।
ইউরোর স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার পর প্রশ্ন উঠছে, ওই অভিমানের কারণেই কি জার্মানির ফ্লাইটে উঠতে পারলেন না কোর্তোয়া? কোচ ডমেনিকো তেদেস্কো বললেন, কারণ তা নয়। দুটি গুরুতর হাঁটুর ইনজুরির পর মৌসুমের বেশিরভাগ সময় সাইডলাইনে ছিলেন কোর্তোয়া। সম্প্রতি ৪ মে লা লিগায় কাদিজের বিপক্ষে খেলেন তিনি। তবে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বেঞ্চে বসতে হয় তাকে। এরপর গ্রানাডা, আলাভেস ও রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ক্লিনশিট ধরে রেখে রেখেছেন তিনি। শারীরিকভাবে ফিট থাকলে নিঃসন্দেহে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে তাকে শুরুর একাদশে দেখা যাবে।
তেদেস্কো মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘কোর্তোয়া নিজের ব্যাপারে সুস্পষ্ট ধারণা রাখে এবং সৎ সে। আমরা সবশেষ তথ্যে জেনেছি সে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্রস্তুত না। সে তার শরীর সম্পর্কে ভালো জানে।’
নিয়ম অনুযায়ী ২৬ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করার কথা। তবে তেদেস্কো ২৫ জনের দল নিয়ে জার্মানি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মঙ্গলবারের স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন গত বছর অবসর নেওয়া অ্যাক্সেল উইটসেল। সম্প্রতি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে গিয়ে তাকে দলে ফিরতে রাজি করিয়েছেন কোচ। ৩৭ বছর বয়সেও ডাক পেয়েছেন জ্যান ভারটংঘেন। এছাড়া দেশের হয়ে রেকর্ড ৮৩ গোল করা রোমেলু লুকাকুকে রাখা হয়েছে।
বেলজিয়াম স্কোয়াড: কোয়েন কাসতিলস, থমাস কামিনস্কি, ম্যাৎজ সেলস; টিমোথি কাসতাগনে, ম্যাক্সিম ডি কুইপার, জেনো দেবাস্ত, ওট ফায়েস, থমাস মুনিয়ের, জ্যান ভারটংঘেন, আর্থার থিয়েতে, অ্যাক্সেল উইটসেল; মিডফিল্ডার- ইয়ানিক কারাসকো, কেভিন ডি ব্রুইনা, ওরেল মাংগালা, আমাদো ওনানা, ইউরি তিয়েলেমানস, আর্থার ভারমিরিন, অ্যাস্টার ভ্রানক্স; ফরোয়ার্ড- জোহান বাকায়োকো, চার্লস ডি কেটেলায়ের, জেরেমি ডকু, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকবাকিও, লুইস ওপেন্ডা, লিয়ান্দ্রো ট্রসার্ড।








