অস্কার ব্রুজন পারেননি বসুন্ধরা কিংসকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য এনে দিতে। তাই ঘরোয়া ফুটবলে সাফল্য এনে দেওয়া কোচের জায়গায় আসতে যাচ্ছেন রোমানিয়ার ভ্যালেরিউ তিতা। কিংসের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি মিলেছে ৫৮ বছর বয়সী কোচের কাছ থেকে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে বড় সময় কেটেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে। এই প্রথম দক্ষিণ এশিয়ার কোনও দেশে এসে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তিতা। ফোনে তিনি শুরুতে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘কিংস সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। ক্লাবটি ঘরোয়া ফুটবলে অনেক ট্রফি জিতেছে। এখন আমার জন্য এটা বড় দায়িত্ব। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। পাশাপাশি মূল লক্ষ্য হলো এএফসি কাপ!’
মোরসালিন-বিশ্বনাথদের নিয়ে সামনের মৌসুমে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত তিতা, ‘এটা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বড় আশার জায়গাও। কিংস দেশের বড় ক্লাব। তাদের নিয়ে প্রত্যাশা বেশি। তাদের জাতীয় দলের খেলোয়াড় আছে। পাশাপাশি উঁচুমানের বিদেশি খেলোয়াড়ও আছে।’
কিংসের উন্নতি হলে তখন বাংলাদেশ দলেও এর ছোঁয়া পড়বে। তাই তিতের প্রত্যাশা, ‘বাংলাদেশের ফুটবল সম্পর্কে ধারণা আছে। আমি আশা করছি বাংলাদেশের ফুটবল উন্নতিতে অবদান রাখতে পারবো। আসলে দেখুন, আমি যখন সিরিয়ায় ২০০৭ সালে প্রথম কাজ করতে যাই সেখানে আমাকে একই প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু সেদিকে আমি তাকাইনি। আমি সেখানে ফুটবল উন্নয়নে কাজ করে গেছি। কারণ কাজ করতে হলে তো পেছনে ফিরে তাকালে হবে না।’
৫৮ বছর বয়সী এই কোচের এশিয়া অঞ্চলের ফুটবলে কাজ করার ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে। সবশেষ সৌদি আরবের দ্বিতীয় স্তরের ক্লাব আল আইনের দায়িত্বে ছিলেন।
এএফসি কাপে তিতার অধীনে ২০১০ সালে সিরিয়ার ক্লাব আল ইত্তিহাদ শিরোপা জিতেছিল।
এছাড়া ইরাক, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব ফুটবলেও কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে উয়েফা পেশাদার লাইসেন্সধারী তিতার। দুই মেয়াদে সিরিয়া জাতীয় দলের প্রধান কোচও ছিলেন।
তিতার আগে পুলিশ ক্লাবে রোমানিয়ার কোচ অ্যারিস্টকা সিওবা গত মৌসুমে কাজ করেছেন। এবার সিওবা কোচিং করাবেন শেখ জামালের হয়ে। তা জানা আছে তিতার, ‘বাংলাদেশে আরও একজন রোমানিয়ার কোচ আছেন। আমি তা জানি। তার সম্পর্কে ধারণা আছে। সে ভালো কাজ করছে।’
বিমানের টিকিট নিশ্চিত হলেই ঢাকায় আসবেন তিতা। হাল ধরবেন কিংসের।









