মাত্র দুই সপ্তাহের প্রস্তুতি নিয়ে কাঠমান্ডুতে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। তার মধ্যে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতাও প্রভাব ফেলেছে। এই অল্প সময়ে নিজেদের প্রস্তুত করলেও শিরোপা স্বপ্নের বীজ ঠিকই বুনছে খেলোয়াড়রা।
বাংলাদেশের এই তরুণ দলের দায়িত্বে অভিজ্ঞ কোচ মারুফুল হক। ১৮ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্ট নিয়ে দলের লক্ষ্য জানালেন তিনি।
বাংলাদেশের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল ঠিক দুই সপ্তাহ আগে, গত ৩১ জুলাই কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে। তারপর কৃত্রিম টার্ফে অনুশীলন করেছে তারা। পরে বসুন্ধরা কিংসের মাঠে প্রস্তুতির পাশাপাশি ক্লাবের ডরমেটরিও ব্যবহার করতে পেরেছে। প্রিমিয়ার লিগ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ বিরতিতে খেলোয়াড়দের ফিটনেসে ঘাটতির কারণে ফিটনেস ট্রেনিং করিয়েছেন মারুফুল হক।
এই অল্প সময়েই দল ফিটনেস ফিরে পেয়েছে বিশ্বাস কোচের। দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই দলকে প্রস্তুত করার মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ নিতে কার্পণ্য করেননি মারুফুল হক, ‘আমার কাছে এটা জাতীয় দায়িত্ব। যে কোনও জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করতে আমার আপত্তি নেই। শুরুতে ফাইনাল খেলার লক্ষ্য ছিল। কিন্তু দুই সপ্তাহ অনুশীলেরন পর ছেলেদের প্রস্তুতি দেখে মনে হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন হওয়াও সম্ভব। শিরোপা জেতার জন্য যে নিবেদন দরকার, সেটা ওদের মাঝে দেখেছি।’
ছেলেদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেলেদের ফুটবল জ্ঞান ভালো। তারা বেশ মনযোগীও। আর এখানে যারা খেলছে তাদের বেশিরভাগই নিয়মিত প্রিমিয়ার লিগে খেলে। সুতরাং নিজেদের কাজটা তারা ভালোভাবেই জানে।’
বাংলাদেশ নেপাল ও শ্রীলঙ্কাকে পেয়েছে তাদের ‘এ’ গ্রুপে। বড় কিছু না হলে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলা প্রায় নিশ্চিত। তবে স্বাগতিক নেপালকে বিশেষ চোখে দেখছেন মারুফুল হক, ‘নেপাল স্বাভাবিকভাবেই স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা পাবে। নেপালে অনেকগুলো অ্যাকাডেমির ফুটবলারদের নিয়ে দল গড়েছে। যেহেতু বয়সভিত্তিক খেলা, তাই ওদের সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা নেওয়ার সুযোগ নেই। সেখানে গেলে বোঝা যাবে কেমন দল। তবে আমাদের সেরাটা খেলেই সেমিফাইনালে যেতে হবে।’









