নতুন ধরনের চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘরের মাঠে প্রথম খেলা। অ্যানফিল্ডে লিভারপুল দলকে অভিবাদন জানাতে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। দর্শকদের হতাশ করেনি অলরেডরা। মোহাম্মদ সালাহর অনুপ্রাণিত পারফরম্যান্সে ইতালিয়ান দল বোলোগনাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ছয়বারের চ্যাম্পিয়নরা।
বুধবার দ্বিতীয় জয়ে স্লটের দল চ্যাম্পিয়নস লিগের এই মৌসুমে শতভাগ সাফল্য ধরে রেখেছে। প্রথম ম্যাচে তারা এসি মিলানকে ৩-১ গোলে হারায়। ঘরেও তারা হতাশ করেনি। ১১তম মিনিটে সালাহর ক্রসে গোলপোস্টের খুব কাছ থেকে বল জালে জড়ান অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।
বোলোগনা মুহুর্মুহু আক্রমণে গিয়ে লিভারপুলকে অস্বস্তিতে রেখেছিল। স্বাগতিকদের ৯ শটের বিপরীতে তারা শট নিয়েছিল ১২টি। শেষ পর্যন্ত স্বস্তি মেলে ৭৫তম মিনিটে সালাহর জয়সূচক গোলে।
বোলোগনার থিস দালিঙ্গা আলিসনকে ফাঁকি দিয়ে জাল খুঁজে পেয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইডে তার গোল বাতিল হয়। এর দুই মিনিটেরও কম সময়ে ম্যাক অ্যালিস্টারের মৌসুমের প্রথম গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল।
১৭তম মিনিটে লিভারপুলের দ্বিতীয় গোল বাতিল হয়। ডারউইন নুনেজ একটি পাস ধরে ঠাণ্ডা মাথায় লুকাস স্কোরুপস্কিকে পরাস্ত করেন, কিন্তু উরুগুয়ান ফরোয়ার্ডকে অফসাইডের পতাকা দেখান অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি।
পরে বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ নষ্ট করার পর রেড তারকা সালাহ শেষ পর্যন্ত জালের দেখা পান। বল পায়ে নিয়ে বোলোগনা ডিফেন্ডার হুয়ান মিরান্দাকে ফাঁকি দিয়ে বাঁকানো শটে জাল কাঁপান মিশরীয় ফরোয়ার্ড।
নিজের গোলের কিছুক্ষণ আগে ৩২ বছর বয়সী সালাহ গোলবারের পাশ দিয়ে বল মেরে মাথায় হাত দেন।
রাতের অধিকাংশ সময় লিভারপুল আধিপত্য দেখালেও বোলোগনা কিন্তু সুযোগ পেয়েছিল। প্রথমার্ধে ড্যান এন্দয়ে পোস্টে আঘাত করেন। কয়েক সেকেন্ড পর ক্যাস্পার উরবানস্কির প্রচেষ্টা ডাইভ দিয়ে থামান আলিসন।
এই জয়ে লিভারপুল ৩৬ দলের লিগ পর্বে পঞ্চম স্থানে। সেরা আটটি দল সরাসরি শেষ ষোলোতে খেলবে।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এনিয়ে নয় ম্যাচে আটটি জিতলো লিভারপুল। প্রিমিয়ার লিগে ম্যানসিটি ও আর্সেনালের চেয়ে এক পয়েন্ট বেশি ধরে রেখে শীর্ষে থারা।









