এই মৌসুমটা ভুলে যেতে চাইবে ম্যানচেস্টার সিটি। কিছুতেই কিছু হচ্ছে না তাদের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বশেষ জুভেন্টাসের কাছে ২-০ গোলে হেরে নিজেদের অবস্থা আরও কঠিন করে তুলেছে। তবে বার্সেলেনা দারুণ জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠেছে তারা।
নতুন ফরম্যাটে ঠিক এই মুহূর্তে টেবিলে ২২ নম্বরে আছে সিটি। ৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৮। প্লে-অফে খেলতে হলে ২৪তম স্থানের মধ্যে থাকতে হবে।
২০২৩ সালে শিরোপা জেতা সিটি এবার ভীষণভাবে ধুঁকছে। ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বশেষ ১০ ম্যাচে জিতেছে মাত্র একটি। ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে ৫৩ মিনিটে। হেড করে জাল কাঁপান ভ্লহোভিচ। ৭৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ওয়েস্টন ম্যাককেনি। বিপরীতে সিটি অনেকগুলো সুযোগ নষ্ট করেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি। সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি নষ্ করেন আর্লিং হাল্যান্ড। বিশেষ করে প্রথমার্ধে। কেভিন ডি ব্রুইনা দুর্দান্ত থ্রু বল দিয়েছিলেন। কিন্তু নরওয়েজিয়ান তারকা গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।
বার্সেলোনার ম্যাচটা জমজমাট হয়ে উঠে দ্বিতীয়ার্ধে। ৫২ মিনিটে কাতালানদের এগিয়ে দিয়েছিলেন রাফিনহা। কিন্তু ৬০ মিনিটে পেনাল্টি পেলে সেখান থেকে সমতা ফেরায় ডর্টমুন্ড। গোল করেন গুইরাসি।
বিপজ্জনক অঞ্চলে গুইরাসিকে ফেলে দেলে স্পট কিক পায় ডর্টমুন্ড। অবশ্য জার্মান ক্লাবটি সমতা ফেরালেও লাভ হয়নি। বদলি হয়ে নামা ফেরান তোরেস ৭৫ মিনিটে আবার এগিয়ে দেন বার্সাকে। শুরুতে ফেরমিন লোপেজের প্রথম চেষ্টা ফিরিয়ে দেন গ্রেগর কোবেল। তবে দ্বিতীয় চেষ্টায় ভুল হয়নি তোরেসের। কিন্তু বার্সার এই অগ্রগামিতাও স্থায়ী হয়নি বেশিক্ষণ। তিন মিনিট বাদে আবার সমতা ফেরায় ডর্টমুন্ড। এবারও দলকে উদ্ধার করেন গুইরাসি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা এককভাবে নিজেদের করে নিতে ৮৫ মিনিটে অবদান রাখেন তোরেস। ৮৫ মিনিটে নিচু শটে তুলে নেন দলের তৃতীয় গোল।
প্রথমার্ধে অগ্রগামিতার সুযোগ ছিল বার্সার। কিন্তু রাফিনহা লামিনে ইয়ামালের ক্রস কাজে লাগাতে পারেননি। টেবিলের দুইয়ে ওঠা বার্সার সংগ্রহ ৬ ম্যাচে ৫ জয়ে ১৫।
এদিকে, মোনাকোকে ৩-০ গোলে হারিয়ে টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে আর্সেনাল। ৬ ম্যাচে ৪ জয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে উঠেছে তারা।








