সুমন রেজার দুর্ভাগ্য। এই মৌসুমে আবাহনী লিমিটেডে নাম লিখিয়ে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। প্রিমিয়ার লিগ ও ফেডারেশ কাপ মিলিয়ে চার ম্যাচে তিন গোল করে সবার দৃষ্টিও কেড়েছেন। কিন্তু পায়ের চোট তাকে সাত সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে দিয়েছে। চোটের কারণেই লিগের প্রথম পর্বে আর নামা হচ্ছে না জাতীয় দলে খেলা স্ট্রাইকারের।
শেষ ম্যাচে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে তাদের এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে ট্যাকলে বাঁ পায়ের নিচে আঘাত পেয়েছেন। এরপর আর খেলতে পারেননি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা গেছে পায়ের নিচে মারাত্মক আঘাত লেগেছে তার। তাই সাত সপ্তাহ অন্তত বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে।
ছিটকে যাওয়ায় সুমন রেজার হতাশা কম নয়। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘মৌসুমটা ভালোভাবে শুরু হয়েছিল। গোলও পাওয়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু কিংসের বিপক্ষে দুর্ভাগ্যজনকভাবে চোটে পড়তে হলো। এখন কী আর করার আছে। ডাক্তার-ফিজিওর পরামর্শে সাত সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে। লিগের দ্বিতীয় পর্বে নামার সুযোগ আছে।’
এই বছর বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কুয়েতে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে দলে থাকলেও খেলা হয়নি রেজার। হাভিয়ের কাবরেরার ৪-৪-২ ছকে তিনি ব্রাত্য। এছাড়া কুয়েতের পর আর দলেও ডাক পাননি। যে কারণে সুমনের আফসোস অন্য জায়গায়, ‘জাতীয় দলে থাকলেই বা কী... আমাকে তো খেলানো হয় না। কোচ যে ছকে দলকে খেলান সেখানে আমার জায়গা নেই। তাই নতুন করে কিছু বলার নাই।’
তবে এবার কোচ মারুফুল হকের অধীনে সুমন রেজার হেডওয়ার্ক ও পজিশন সেন্সসহ নৈপুণ্য ছিল আশা জাগানিয়া। হয়তো লিগের প্রথম পর্বের আগেই নতুন করে কাবরেরার দৃষ্টি কাড়ার সুযোগও ছিল। সুমন বলেছেন, ‘জাতীয় দল নিয়ে আপাতত ভাবছি না। চোটে পড়েছি। এখান থেকে উঠে দাঁড়াতে হবে। তারপর ভালো খেলতে পারলে হয়তো ডাক পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তাই সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। যেন শিগগিরই চোট থেকে উঠতে পারি।’









