মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বিরল রেকর্ড বলতে হবে। আবাহনী ও মোহামেডানের হয়ে দুই দলের বিপক্ষেই গোল আছে তার! ২০১৫ সালে আবাহনীর বিপক্ষে মোহামেডানের হয়ে গোল করেছিলেন। এবার ৯ বছর পর আবাহনীর হয়ে মোহামেডানের বিপক্ষে গোল করে দারুণ এক সন্ধ্যা উপহার দিয়েছেন কুমিল্লার দর্শকদের।
ইব্রাহিমের একমাত্র গোলে মোহামেডানকে হারিয়ে আবাহনী প্রতিশোধ নিয়েছে। ২০২৩ সালের পর আবাহনী ডার্বি ম্যাচ জিততে পারেনি। ৬ ম্যাচ পর আজ জয়ের দেখা পেয়েছে।
ফেডারেশন কাপে আজ ৭৪ মিনিটে আবাহনী এগিয়ে যায়। শাহরিয়ার ইমনের নিচু ক্রসে ইব্রাহিম দারুণ এক প্লেসিংয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে। গোলকিপার মোহাম্মদ সুজন বল আটকানোর চেষ্টা করলেও হাত ছুঁয়ে বলের গতিপথ পরিবর্তন হয়নি। গোল করেই জার্সি খুলে উল্লাসে মেতে উঠেন ইব্রাহিম।
এই এক গোলের পুঁজি নিয়ে মোহামেডানকে হারিয়েছে আবাহনী। ২০১৫ এর পর আজও ইব্রাহিম জার্সি খুলে আনন্দ উদযাপন করেছেন। কুমিল্লাতে ম্যাচ শেষে তাকে এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই বাংলা ট্রিবিউনকে জানালেন, ‘আজ আমাদের লক্ষ্য ছিল, যে করেই হোক মোহামেডানকে হারাতে হবে। সেই পণ নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। তাদেরকে সেভাবে খেলতে দেইনি। আর আমার নিজেরও লক্ষ্য ছিল সুযোগ পেলেই গোল করবো। যেহেতু ২০১৫ সালে আমি আবাহনীর বিপক্ষে গোল পেয়েছিলাম। তাই আজ মোহামেডানের বিপক্ষে গোল করার লক্ষ্য নিয়ে তা পেয়ে জার্সি খুলেই উল্লাস করেছি।’
আবাহনী এই মৌসুমে একটি ছাড়া অন্য কোনও ম্যাচ হারেনি। এই সাফল্যে ইব্রাহিম ব্যাখ্যা দিলেন, ‘আমরা তো বেশিরভাগই জাতীয় দলে খেলা খেলোয়াড়। তাই যখনই নামি সেটা মগজে ধারণ করে খেলি। তাই সবাই বিদেশি ছাড়াই উজার করে খেলে থাকি। কোচের অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনাও বড় বিষয়।’
এবার আবাহনীর হয়ে শুরু থেকে খেলছেন। বসুন্ধরা কিংসের হয়ে শেষ মৌসুমটা ভালো যায়নি। খেলার সুযোগ সেভাবে পাননি। জাতীয় দলের জার্সিতে অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ বাছাই খেলে এসে ছিটকে যেতে হয়েছে। ইব্রাহিমের আশা, ‘এবার কোচ যদি মনে করে জাতীয় দলে আবার ডাকবেন, তাহলে খেলার ইচ্ছা আছে। এছাড়া পুরো মৌসুমে আবাহনীর হয়ে ভালো খেলতে চাই। ট্রফি জিততে চাই।’









