আজ বৃহস্পতিবার বাফুফে ভবনে সিরিজ সভা হয়েছে। পেশাদার লিগ কমিটি, জাতীয় টিমস কমিটি ও সবশেষে বাফুফের নির্বাহী কমিটির সভায় অনেক কিছু নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। দিনশেষে তিনটি সভা নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ও লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান।
প্রিমিয়ার লিগে বিদেশি খেলোয়াড় কমছে...
আগামী বছর থেকে প্রিমিয়ার লিগে ক্লাবগুলোতে খেলোয়াড় নিবন্ধন ৩৫ জন হবে, এর মধ্যে ৫ জনের বয়স নির্ধারণ করে দিয়েছি, যাদের জন্ম ১ জুন ২০০৬ থেকে ৩১ মে ২০০৯ পর্যন্ত, অর্থাৎ অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সী হতে হবে তাদের। যার মধ্যে একজনকে অবশ্যই সেরা একাদশে খেলাতে হবে।
বিদেশি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ১ জন কমিয়ে পাঁচ জন করা হয়েছে। যার মধ্যে চার জন স্কোয়াডে থাকবে, এর মধ্যে তিন জন সেরা একাদশে খেলতে পারবে। এক বিদেশির পরিবর্তে আরেকজন খেলতে পারবে। এছাড়া রেজিস্ট্রেশনের কাজ ক্লাবগুলো অনলাইনে সারতে পারবে।
ডাগ আউটে দাঁড়ানো নিয়ে...
বাফুফের ইসি কমিটি, বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং বা অ্যাডহক কমিটিতে যারা আছেন, তাদের কেউ ডাগআউটে দাঁড়াতে পারবেন না। ইন্টিগ্রিটি আপগ্রেড করার জন্য প্রতিটি ডাগআউটে রেকর্ডার বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। (এমন আইনে অন্তত সত্যজিত দাশ রুপু, সাইফুর রহমান মনি ও ছাইদ হাসান কাননের কপাল পুড়েছে।)
একই ক্লাবের প্রধান আবার লিগ কমিটির দায়িত্বে!
লিগ কমিটির চেয়ারম্যান বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি (ইমরুল হাসান)। দেখা যায় কিংসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে হয় তার কাছে। এনিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম নয়। এই প্রসঙ্গে ইমরুল হাসান প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘আমরা তো সরাসরি মাঠে যাই না। সব কর্মকর্তাই কোনও না কোনও ক্লাবের সঙ্গে আছে। এমন হলে তো তাহলে কেউ থাকতে পারবে না! তবে বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে।’
শুধু চ্যাম্পিয়ন দল ট্রফি পাবে...
অতীতে লিগ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপকে ট্রফি দেওয়া হয়েছে, যেটা বিশ্বের কোথাও হয় না। শুধু চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি দেওয়া হয়। এবার থেকে আমরাও শুধু চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি দিবো। তবে টুর্নামেন্টগুলোতে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে ট্রফি দিবো।
সার্কভুক্ত খেলোয়াড় নেওয়া প্রসঙ্গে...
সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্লেয়ার নেওয়া যাবে। যদি নেই, তাদের ‘স্থানীয়’ খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য করা হবে, ‘বিদেশি’ বলে গণ্য করা হবে না। এখানে খেলোয়াড় নেওয়ার ক্ষেত্রে সংখ্যার কোনও সীমাবদ্ধতা থাকবে না। পরে ক্লাবগুলোর সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবো।
নতুন মৌসুমে সুপার কাপ...
এবারের লিগের সেরা চার দল সুপার কাপে খেলবে। সুপার কাপ আগামী মৌসুমে শুরু হবে। স্বাধীনতা কাপ হবে স্থানীয় খেলোয়াড়দের দিয়ে। এছাড়া চ্যালেঞ্জ ট্রফি ও ফেডারেশন কাপ তো আছেই।
ইউরোপে খেলবে বাংলাদেশ!
ন্যাশনাল টিমস কমিটির মিটিংয়ের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে- আগামী ১ থেকে ৯ সেপ্টেম্বরে ফিফা টায়ারে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে। হোম বা অ্যাওয়ে হতে পারে। অ্যাওয়ে হলে আমাদের ইচ্ছা আছে ইউরোপে গিয়ে খেলার। ইউরোপে গেলে চেষ্টা করবো দুটি ম্যাচ খেলার।









