সবশেষ মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসের কোচ ছিলেন তিতা ভ্যালেরিউ। রোমানিয়ান কোচের অধীনে চ্যালেঞ্জ কাপ ও ফেডারেশন কাপ জিতেছে কিংস। তবে প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবারের মতো তৃতীয় হতে হয়েছে। কিংসের শেষ ম্যাচে আবার স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দেশে ফিরে আপাতত কোচিং না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিতা। চিকিৎসার পাশাপাশি বিশ্রাম নিচ্ছেন।
যদিও কিংস কর্তৃপক্ষ নতুন মৌসুমে নতুন কোচ খুঁজছে। তিতার সঙ্গে চুক্তি নবায়নের প্রয়োজন মনে করেনি তারা। তিনি এরই মধ্যে ওমানের আল শায়েব থেকে কোচ হওয়ার আমন্ত্রণ পেলেও যাচ্ছেন না। চিকিৎসাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য যাবেন অস্ট্রিয়া ও জার্মানিতে।
তিতা রোমানিয়া থেকে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘কিংস কর্তৃপক্ষ নতুন মৌসুমের জন্য আর রাখেনি। আমারও থাকা হয়নি। ওমান দলের আগস্টে ভারতের গোয়ায় খেলা রয়েছে। আমাকে বলা হলেও সেই ক্লাবের হয়ে এএফসির আসরে থাকছি না। মানে আপাতত কোচিং করাবো না। ঢাকায় স্ট্রোক হয়েছিল। চিকিৎসার ওপর আছি।’
কিংস টানা পাঁচবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এবার তৃতীয়! এ নিয়ে তিতার ব্যাখ্যা, ‘আমার অধীনে দুটি ট্রফি এসেছে। কোন পরিস্থিতিতে দল এবার খেলেছে তা সবাই জানেন। আগের সাফল্য পাওয়া দলে রবসনের মতো খেলোয়াড় ছিল। আর আমার সময়ে কেমন মানের বিদেশি খেলেছে তা সবাই দেখেছেন। তারপরও দুটি ট্রফি এসেছে। আমি বিশ্বাস করি ভালো স্মৃতি রেখে এসেছি। যখন দল ছিল কঠিন সময়ে।’
অনেক আগে রোমানিয়া ফিরে গেলেও তিতার দুঃখ কিন্তু কম নয়। মৌসুম শেষ হয়েছে, কিন্তু এখনও বকেয়া বেতন পাননি। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে ক্লাবের আর্থিক চিত্র নিম্নগামী।
তিতার অনুযোগ, ‘আমার তিন মাসের বেতন বকেয়া। এমনকি রিটার্ন টিকিট কেটে এসেছি নিজের টাকায়। ক্লাব বলেছে এই মুহূর্তে টাকা নেই। জুলাইতে সব দেবে নাকি। আমিও তা মেনে নিয়েছি। তবে জুলাইতে বকেয়া বেতন না পেলে ফিফায় ঠিকই অভিযোগ করবো।’









